Read Time:3 Minute, 54 Second

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের মানুষ স্বৈরাচারকে দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, এখন শ্রমিক, শিক্ষক, ছাত্র, নারী ও পুরুষ, সকলে মিলে দেশ গড়ার পালা।

শুক্রবার (১ মে) বিকেলে মহান মে দিবস উপলক্ষ্যে নয়াপল্টনে বিএনপির শ্রমিক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার সামনে একটি ব্যানার আছে, যেখানে লেখা রয়েছে, বন্ধ কলকারখানা চালু করতে হবে। বর্তমান বিএনপি সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার। এই সরকার গঠিত হওয়ার পরপরই আমি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে বসেছি এবং নির্দেশনা দিয়েছি। এক মাস আগেই আমি নির্দেশনা দিয়েছি যে, কীভাবে আমরা কত দ্রুত বন্ধ কলকারখানা চালু করতে পারব, যাতে যে সকল শ্রমিক কর্মসংস্থান হারিয়ে বেকার হয়ে গিয়েছিলেন, তাদের পুনরায় কর্মের ব্যবস্থা করা যায়। সেই বৈঠকটি এই সপ্তাহে আবার নির্ধারিত হয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশে যে সকল কলকারখানা বন্ধ হয়ে গিয়েছে, পর্যায়ক্রমিকভাবে আমরা সেগুলো আবার চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। তবে শুধু বন্ধ কলকারখানা চালু হলেই সকল শ্রমিকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে না। বর্তমানে দেশে আরও লক্ষ লক্ষ বেকার যুবক রয়েছেন। তাদের জন্য আমাদের অভ্যন্তরীণ কর্মসংস্থানের পাশাপাশি বিদেশের বাজারেও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। সেই লক্ষ্যে আমরা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সাথে এরই মধ্যে আলোচনা শুরু করেছি। আমরা তাদের উৎসাহিত করছি এবং তাদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি, যাতে বিনিয়োগকারীরা এই দেশে নতুন নতুন কলকারখানা স্থাপন করেন।

তিনি বলেন, আমরা জানি, এই দেশে কলকারখানা তৈরি হলে এ দেশের শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। শ্রমিকরা ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে; কৃষকরা ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ যখন ভালো থাকবে, তখনই কেবল বাংলাদেশ ভালো থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা শহরের বিভিন্ন রাস্তায় হকার ভাইদের অবস্থানের কারণে যানজটসহ সাধারণ মানুষের চলাফেরায় অসুবিধা সৃষ্টি হচ্ছিল, তাই আমরা তাদের সরিয়ে দিয়েছি। কিন্তু আমরা এটিও বুঝি যে তারাও মানুষ; তাদের পরিবার আছে এবং তাদেরও খেয়ে-পরে বাঁচতে হবে। সে কারণেই আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দিয়েছি যে, হকার উচ্ছেদ করলেই হবে না, এই মানুষগুলো যাতে সম্মানের সাথে ব্যবসা করে জীবন ধারণ করতে পারে, তার ব্যবস্থাও করতে হবে। এরই মধ্যে সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আমরা জানি, সকলকে হয়তো একসাথে পুনর্বাসন করা সম্ভব হবে না, তবে পর্যায়ক্রমিকভাবে আমরা ব্যবস্থা করব।

Happy
Happy
0 %
Sad
Sad
0 %
Excited
Excited
0 %
Sleepy
Sleepy
0 %
Angry
Angry
0 %
Surprise
Surprise
0 %
Previous post ইতালিতে নয়ন খুনের নেপথ্যে বড় ভাইয়ের পরকীয়া
Close