তথাকথিত সেই ছাত্রলীগ নেতা তার নিজস্ব ফেসবুক ওয়ালে ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট আওয়ামী লীগের সম্মানিত সভাপতি শফিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক ড. রবি আলমকে নিয়ে বিষোদাগার করে বলেন, ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট আওয়ামী লীগের সংবাদ সম্মেলন ছিল ভন্ডামি আর ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট আওয়ামী লীগ নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে ফিরোজ আলম ও কামরুল হাসানের গ্যাংদের দ্বারা। তিনি কামরুল হাসানকে বি.এন.পি সমর্থক ও ফিরোজ আলমকে ষড়যন্ত্রকারী উল্লেখ করে বলেন, এরা শফিকুর রহমানের মাথা নষ্ট করে দিয়েছে খন্ডিত যুবলীগের উপর। তিনি আরও বলেন, বাফলা ও মুনার নেতারা কিভাবে আওয়ামী লীগের ইফতার পার্টিতে আসে আর কেনই বা আওয়ামী লীগ নেতারা মুনার ইফতার পার্টিতে যায়। আর এসব কারণেই আওয়ামী লীগ তার মূল্য হারিয়েছে খন্ডিত সেই যুবলীগ নিয়ন্ত্রণের।

এসব বিষয়ে প্রশ্ন করা হয় আওয়ামী লীগ সভাপতি শফিকুর রহমানকে উওরে তিনি বলেন আমরা কারো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছি না বা কাউকে নিয়ন্ত্রণ করছি না যা কিছু করছি উপরের নির্দেশে ঐক্যের স্বার্থে। ধর্মীয় ইফতার পার্টি নিয়ে যে প্রশ্ন তোলে তাকে নাস্তিক ছাড়া আর কিছু বলা যায় না। তারপরেও বলব আওয়ামী লীগের কোনও নেতা মুনার ইফতার পার্টিতে যায় না। আর আওয়ামী লীগের ইফতার পার্টিতে আসা বাফলার নেত্রীবৃন্দ আওয়ামী লীগ সমর্থক। ইফতার পার্টি নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনও যৌক্তিকতা আছে বলে আমি মনে করি না।

এসব বিষয়ে প্রশ্ন করা হয় ফিরোজ আলমকে তিনি উওরে বলেন আমি কেনও আওয়ামী লীগকে নিয়ন্ত্রণ করতে যাব।
আমি বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হিসেবে সবসময় আওয়ামী লীগের পাশে আছি থাকব। আওয়ামী লীগের যেকোন ভালো কাজের প্রতি আমার সমর্থন থাকে সর্বদাই। ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট আওয়ামী লীগ যে ঐক্যের ডাক দিয়েছে তার প্রতি আমার পূর্ন সমর্থন দিয়ে যাচ্ছি এটুকুই। যদি বলতেই হয় আমার বন্ধু সাইফুল চৌধুরীর ভাষ্যমতে তথাকথিত সেই ছাত্রলীগ নেতা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। এমন বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীর কাছ থেকে এর চেয়ে ভালো কিছু প্রত্যাশা করা যায় না।

প্রশ্ন করা হয় ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট যুবলীগ সভাপতি কামরুল হাসানকে তিনি উওরে বলেন আমি আগেও বলেছি এখনো বলছি যদি কেউ একটিও প্রমান দেখাতে পারে জীবনে কখনো বি.এন.পি করেছি বা বি.এন.পির সমর্থনে কিছু করেছি তাহলে রাজনীতি করা ছেড়ে দিব। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে লালন করি। অতএব কোন পাগলে কি বলেছে সে নিয়ে মাথা ঘামানোর কিছু নাই।

তথাকথিত এই ছাত্রলীগ নেতা কিছুদিন আগে আওয়ামীলীগের একটি অনুষ্টানে মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের সময় উপস্হিত সাংবাদিকবৃন্দ ছবি তুলায় অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে নিজস্ব ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট দিলে স্হানীয় সাংবাদিক সহ কমুউনিটির বেশিরভাগ মানুষের রোষানোলে পড়েন। সাংবাদিকবৃন্দ আল্টিমেটাম দিয়ে বলেছিলেন যদি সে মাফ না চায় তাহলে স্হানীয় আওয়ামী লীগের যেকোন খবর প্রকাশে তারা বিরত থাকবেন। বেহায়া মাফ না চাওয়ায় স্টেট আওয়ামী লীগ ততাকথিত সেই ছাত্রলীগ নেতার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন। এটাই তার ক্ষোভের কারণ।

সবকিছু বিবেচনা করে দেখা যায় সে একজন নাস্তিক, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ও মানসিক ভারসাম্যহীন রোগী।

[এই লেখার সম্পূর্ণ দায়-দায়িত্ব লেখকের]