চৌধুরী আলম :

বাংলাদেশের প্রকাশক জগতের জনৈক ব্যক্তি লস এঞ্জেলেসে অভিবাসিত হয়েছিল বছর ৫/৬ আগে। মুক্তিযুদ্ধকে সামনে রেখে নিজের প্রকাশনা ব্যবসা লস এঞ্জেলেসে প্রসার করার স্বার্থে শুরু থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে মানুষকে ধোকা দেবার চেষ্টা করছে। শুরু থেকে তার পথ সুগম করার জন্য যাদের সহযোগিতা নিয়েছেন, তাদের সাথেই তিনি অকৃতজ্ঞের মত ব্যবহার করেছেন। নিজের স্বার্থ শতভাগ অর্জনের লক্ষ্যে মেরুদন্ডহীন ব্যক্তিত্ব ছাড়া কাউকে সাথে রাখতে চান না। লস এঞ্জেলেসে রাইটার্স এসোসিয়েশনের সাথে সম্পর্ক রেখে নিজের স্বার্থ উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে, রাইটার্স এসোসিয়েশন ত্যাগ করে। বাফলার পিছনে কিছুদিন ঘুরে স্বার্থ উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে তাদের বিরুদ্ধে বিষেদগার শুরু করে। অথচ বাফলার বিভিন্ন নেতৃবৃন্দের কাছ থেকে অর্থ সাজায্য নিয়েছেন চেতনার কথা বলে। যে বাফলার বিরুদ্ধে এখন বিষেদগার করে, সেই বাফলার প্রশংসা করেছে জাতীয় প্রচার মাধ্যমে।

লস এঞ্জেলেসের একজন সাংবাদিকের হাত ধরে তিনি কমিউনিটিতে পরিচিতি লাভ করেন। প্রথম দিকে সেই সাংবাদিকের সহযোগিতায় কমিউনিটির বিভিন্ন মেলায় তার নিজের প্রকাশনার নামে ফ্রি স্টল বরাদ্দ নিতেন। অথচ বর্তমানে তিনি সেই সাংবাদিককে চেনেন না। ঐ সাংবাদিক তার বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অসাধুতার অভিযোগ এনেছেন। এমনি করে বিভিন্ন সময় কমিউনিটি ভিত্তিক অনলাইন পত্রিকা হলিউড বাংলা ও এলএ বাংলা টাইমস এর পরিচালকদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় উপকার নিয়েছেন কিন্তু বর্তমানে তাদের কাছ থেকে কোনো উপকার না পেয়ে তাদের সম্পর্কে অপপ্রচার করে।

ইতিমধ্যে তার এই অকৃতজ্ঞ চরিত্র এবং চেতনার ব্যবসা কমিউনিটির মানুষের কাছে জানাজানি হবার কারণে, কমিউনিটির সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ তাকে এড়িয়ে চলে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে এই প্রতারক প্রাথমিক পর্যায়ে যাদের সহযোগিতা পেয়েছিলেন, কেউই এখন তার সাথে নেই।