– চৌধুরী আলম

ক্যালিফোর্নিয়ার লস এঞ্জেলেস বাঙ্গালী কমুউনিটি কর্তৃক আখ্যায়িত জনৈক্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আওয়ামী লীগে যাপিত জীবনে সর্বক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়ে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মনোনীত কনস্যুলেট জেনারেল প্রিয়তোষ সাহার অপসারণ দাবি হীনমন্যতায়। সর্বক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়ে কেনও এই হীনমন্যতা? স্হানীয়দের ধারণা স্বাধীনতা বিরোধী চক্র ও বঙ্গবন্ধুর খুনিদেরকে প্রশয়দাতাদের খুশি করতেই তার এই হীনমন্যতা। সদা হাস্যজ্জল  প্রিয়তোষ সাহা একজন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি।

সৎ, দক্ষ ও চৌকস এমন একজন কূটনৈতিককে রাজাকার তকমা লাগিয়ে সরিয়ে দিতে স্বাধীনতা বিরোধী ও বঙ্গবন্ধুর খুনিদেরকে প্রশয় দাতাদের উস্কানিতে মাঠে নেমেছে পদপদবী লোভী গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এই উস্কানীদাতাদের মিথ্যা লোভের আশায় পড়েছে কমুউনিটিতে বিতর্কিত কথিত এই যুবলীগ নেতা। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্যালিফোর্নিয়া শাখা নামে যে গ্রুপ ক্যালিফোর্নিয়া আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে বিদ্যমান সেই গ্রুপের সাথে রাজনীতি করা এই নেতা হঠাৎ করেই পদপদবী, চেয়ারের লোভে যুবলীগের বিতর্কিত কমিটি গঠন করে বিতর্কিত ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। সেই সময় স্হানীয় আওয়ামীলীগের অনেকেই তার পদান্নতি দেখে হাস্যরস করে বলেন ওসি থেকে সে দারোগা হয়েছে। সাবেক যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের দুই কান্ডারী মিসবাহ আহম্মেদ ও ফরিদ আলমের সমর্থনে ক্যালিফোর্নিয়া যুবলীগের বৈধ কমিটি থাকার পরও পদপদবী লোভে অনেককে তৈলমর্দণ করে যুবলীগের বিতর্কিত আহবায়ক কমিটি গঠন করে ক্যালিফোর্নিয়া আওয়ামীলীগের সম্প্রতি নষ্ট করেন এবং ক্যালিফোর্নিয়া আওয়ামী লীগকে গ্রুপিং রাজনিতির দিকে ঠেলে দেন। একের পর এক তার বিতর্কিত ভূমিকার কারণে কিছুদিন আগে যুবলীগের সেই বিতর্কিত আহবায়ক কমিটি থেকে পদত্যাগ করেন একজন আহবায়ক নেতা। নাম না জানানোর শর্তে আরেক নেতা বলেন তার বিতর্কিত ভূমিকার কারণে আমি সেখানে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি। ক্যালিফোর্নিয়াতে যুবলীগের যে বৈধ কমিটি আছে সেটাকে নিয়ে একের পর এক মিথ্যাচারে মাইনাস করতে ব্যর্থ হয়ে কিছুদিন আগে বাংলাদেশ ভ্রমন করে আসলেন কথিত এই যুবলীগ নেতা,বাংলাদেশে গিয়ে অনেক নেতাকে তৈলমর্দণ করে তদবিরের মাধ্যমে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের সমর্থন নিয়ে আসতে চেয়েছিলেন যুবলীগের বৈধ সেই কমিটি কে মাইনাস করতে কিন্তু সেখানেও সে ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসে। এসেই মরিয়া হয়ে মাঠে নেমেছে কনস্যুলেট জেনারেল জনাব প্রিয়তোষ সাহাকে অপসারণের দাবিতে।কারণ অনুসন্ধানে জানা যায় এই কথিত যুবলীগ নেতা কনস্যুলেট জেনারেল কে নিয়ন্ত্রণে রাখতে চেয়েছিলেন যুবলীগের যে বৈধ কমিটি আছে তাদেরকে মাইনাস করতে কনস্যুলেট অফিস থেকে সেখানেও সে ব্যর্থ হয় কারণ কনস্যুলেট জেনারেল তার এই হীনমন্যতায় সায় দেইনি।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায় এই বিতর্কিত যুবলীগ নেতার অসৎ তৎপরতায় বৃহওর হিন্দু সোসাইটি খন্ডে খন্ডে বিভক্ত লস এঞ্জেলেসের মাটিতে। হিন্দু সোসাইটির বেশিরভাগ মানুষই বিতর্কিত এই যুবলীগ নেতাকে দায়ী করেন তাদের বিভক্তির জন্য।আর সেখানেও সে কনস্যুলেট জেনারেলকে তার নিয়ন্ত্রণে রাখতে চেয়েছিলেন তারা একই ধরমালম্বি হওয়ার কারণে। কিন্তু কনস্যুলেট জেনারেল সেখানেও সায় দেইনি কারণ তার অসৎ তত্পরতা। আর এই দুইটি কারণেই কথিত যুবলীগ নেতা ক্ষুব্ধ মাননীয় কনস্যুলেট জেনারেলের উপর আর তাকে ব্যবহার করে সুযোগ নিতে চাচ্ছেন স্বাধীনতা বিরোধী ও বঙ্গবন্ধুর খুনিদের আশ্রয়দাতা সেই চক্র। আমেরিকায় বসবাসরত বাঙ্গালীদের দ্বিতীয় বৃহওম নগরী ক্যালিফোর্নিয়াতে পঞ্চাশ হাজারেরও অধিক বসবাসরত বাঙ্গালীদের শুধুমাত্র লস এঞ্জেলেসেই বাস করেন পঁচিশ হাজার বাঙ্গালী। কনস্যুলেট জেনারেলকে অপসারণ তাদের দাবি নয়। এই দাবি বিতর্কিত যুবলীগের সেই নেতার সাথে স্হানীয় আওয়ামী লীগের লেবাস পরিহিত পাঁচ দশজনের। এই দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট শুধুমাত্র তার ব্যক্তিগত আক্রোশ নিজেদের সুবিধা বঞ্চিত হওয়ার কারণে। স্হানীয় আওয়ামী লীগ পরিবার ও স্হানীয় কমুউনিটির সর্বসাধারণের দাবি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার কাছে যে সকল লেবাস পরিহিত আওয়ামীলীগার আপনার মনোনীত কনস্যুলেট জেনারেল জনাব প্রিয়তোষ সাহার প্রতি অনাস্হা এনে মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে আপনার আস্হার উপর বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্হা গ্রহণের বিনীত আহবান জানাচ্ছে স্হানীয় আওয়ামীলীগ পরিবার সহ ক্যালিফোর্নিয়াবাসী। আরো বিনীত আহবান এই মিথ্যাচারের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত ও পিছনে থেকে যারা সহায়তা করছে স্বাধীনতা বিরোধী ও বঙ্গবন্ধুর খুনিদের প্রশয়দাতাদের মনোবাসনা পূর্ন করতে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্হা গ্রহণের।