প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে ভারতের দিল্লির বিমানবন্দরে কেন বাধা দেওয়া হয়েছে—এ প্রশ্ন তুলে সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামীর এমপি সাইফুল আলম খান মিলন। দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ডা. জাহেদ উর রহমানকে দুই ঘণ্টা বসিয়ে রাখা এবং যথাযথ কূটনৈতিক চিঠি থাকার পরও তাকে ‘হেনস্তা’ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন জামায়াত এমপি।
সোমবার সংসদের বৈঠকে পয়েন্ট অব অর্ডারে এসব কথা বলেন সাইফুল আলম খান। তিনি বলেন, যথাযথ কূটনৈতিক চিঠি দেওয়ার পরেও কেন উপদেষ্টাকে ভারতের বিমানবন্দরে দুই ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হলো, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। শেষ পর্যন্ত তাকে ভারতে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হলেও তিনি অপমানে সেখান থেকে দেশে ফিরে এসেছেন। এই ঘটনার পেছনে আমাদের কূটনৈতিক কোনো ব্যর্থতা কাজ করেছে কি না এবং সরকারের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা জানতে চান জামায়াত এমপি।
অবশ্য স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এই বক্তব্যকে পয়েন্ট অব অর্ডার হিসেবে গ্রহণ না করে বলেন, পরে একটি নোটিশ দিতে পারেন এবং তখন বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
ইন্ডিয়ান ওশেন রিম অ্যাসোসিয়েশন (আইওআরএ) সম্মেলনে যোগ দিতে রোববার ঢাকা থেকে দিল্লি যান প্রধানমন্ত্রীর পলিসি এবং স্ট্র্যাটেজিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ। কিন্তু প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা পদে থাকা জাহেদ উর রহমানকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি না দিয়ে বসিয়ে রাখা হয়।

