(মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নহে)
লস এঞ্জেলেসে ৪০তম ফোবানা ২০২৬ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। যদিও এই ফোবানার আয়োজক কমিটি প্রচার প্রচারণায় যথেষ্ট পিছিয়ে রয়েছে। ডঃ জয়নুল আবেদীন ইতিপূর্বে লস এঞ্জেলেসে আরো তিনটি ফোবানার আয়োজক ছিলেন। বিগত প্রতিটি ফোবানায় এরকম সময় সরগরম প্রচারণা শুরু হয়ে গিয়েছিল। বিগত সময়ে তিনি বহু আগে থেকেই লস এঞ্জেলেস প্রবাসী বাংলাদেশী কমিউনিটির মানুষদের নিয়ে সভা সমাবেশ ও কমিটি করে তাদের যথাযথ সম্পৃক্ত করতে পেরেছিলেন।
যদিও প্রতি বারই লস এঞ্জেলেস ফোবানা আয়োজনে কমিউনিটির একটি অংশ বিরোধিতা করে আসছিল। এখন পরিস্থিতি বদলেছে। বাংলাদেশী প্রবাসীদের মন মানসিকতা বদলেছে। এখন ফোবানা নিয়ে সে রকম বিরোধিতার দিন আর নেই।
লস এঞ্জেলেসে ৪০তম ফোবানা ২০২৬ এর কিফ অফ গালার পূর্ব রাতে লস এঞ্জেলেসের একটি রেস্টুরেন্টে ঈদ আড্ডার অনুষ্ঠানে লস এঞ্জেলেস প্রবাসী বাংলাদেশী কমিউনিটির সাংগঠনিক তরুণদের মাঝে লস এঞ্জেলেসে ৪০তম ফোবানা ২০২৬ এর আয়োজন নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কেন লস এঞ্জেলেসে ফোবানা অনুষ্ঠানের যথাযথ প্রচারণা এখনও শুরু হয়নি? যেখানে অন্যান্য স্টেটে একই বছর ফোবানার আয়োজকরা ইতিমধ্যেই বেশ জোরে শোরে প্রচারণা শুরু করে দিয়েছেন।

ঈদ আড্ডায় উপস্থিত অনেকেই তাদেরকে যথাযথ গুরুত্বের সাথে কমিটিতে রেখে লস এঞ্জেলেস ফোবানায় কাজ করার সুযোগ দেয়ার দাবী জানান। অনেকে ফোবানা অনুষ্ঠানের ভেন্যু ও সেখানের পার্কিং নিয়েও প্রশ্ন তুলেন। তারা বলেন, সাধারণ দর্শক কি ৫০ ডলার পার্কিং ফি দিয়ে এবং অনুষ্ঠানের টিকেট কেটে ইউনিভার্সাল সিটি হিল্টনে ফোবানার অনুষ্ঠান দেখতে যাবেন? এই ভেন্যুতে আয়োজকরা কি আশানুরুপ দর্শক সমাগম করতে সমর্থ হবেন? নাকি এবার অনুষ্ঠান ফ্লপ যাবে ?
যাদেরকে ডঃ জয়নুল আবেদিনের সাথে পূর্বের ফোবানাগুলোতে সক্রিয় দেখা যেত তাদেরকেও কেন সক্রিয় করা হচ্ছে না?
কেন অনুষ্ঠানস্থল ইউনিভার্সাল সিটি হিল্টনে ফোবানার কিক অফ গালা’য় আশানুরূপ লোক সমাগম হয়নি? কেন এই অনুষ্ঠানের জন্য পর্যাপ্ত প্রচারণা চালানো হয়নি? কেন ঈদ আড্ডায় উপস্থিত লোকজনকে এই ফোবানার আয়োজনে রাখা হয়নি?
কেন লস এঞ্জেলেসের নিয়মিত সাংবাদিক, সংবাদমাধ্যম ও সংবাদ পোর্টালগুলোকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি?
তবে ২৮ শে মার্চ ইউনিভার্সাল সিটি হিল্টনে ফোবানার কিক অফ গালা’য় শুরুতে আমেরিকা ও বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত না বাজানোয় লস এঞ্জেলেস বাংলাদেশ কমিউনিটিতে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ফোবানার প্রতিটি অনুষ্ঠানে দু’দেশের জাতীয় পতাকা রাখা ও দু’দেশের জাতীয় সংগীত বাজানো একটি নিয়মিত রেওয়াজ ও বাধ্য বাধকতায় পরিণত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কনসুলেটের কনসাল জেনারেল উপস্থিত থাকলেও কিভাবে দেশের পতাকার অনুপস্থিতি তাদের চোখকে ফাঁকি দিল এ প্রশ্ন অনেকের।
দুপুরে তিন ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠান আয়োজন করে লাঞ্চের ব্যবস্থা না রেখে শুধু চা বিস্কুট খাইয়ে সবাইকে বিদায় করায় সকলে অবাক হয়েছেন।
ফলশ্রুতিতে অনেকেই আয়োজকদের মূল অনুষ্ঠানের বাজেট ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে সন্দিহান।
– ইবনে আব্বাস
More Stories
সম্পাদকীয়: লস এঞ্জেলেস কনস্যুলেট বিতর্ক! ফ্যাসিবাদী মানসিকতা কার—ক্ষমতাচ্যুতদের, নাকি ক্ষমতার ছায়ায় থাকা নতুন অভিভাবকদের
কাজী মশহুরুল হুদা প্রবাসে একটি কনস্যুলেট কেবল প্রশাসনিক কার্যালয় নয়; এটি একটি রাষ্ট্রের নৈতিক অবস্থান, গণতান্ত্রিক চেতনা এবং নাগরিক মর্যাদার...
ঐতিহাসিক ‘লাল বাড়ি’ বরাদ্দ হলো জামায়াত আমিরের জন্য
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের জন্য ঢাকার মিন্টো রোডের ঐতিহাসিক দোতলা লাল...
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় পদক: সম্মান না আমলাতান্ত্রিক প্রহসন?
বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় পদক—যেমন একুশে পদক, বাংলা একাডেমী পদক, শিল্পকলা একাডেমি পদক, জাতীয় পদক, ইত্যাদি —কেবল পুরস্কার নয়; এগুলো জাতির কৃতজ্ঞতার...
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে চীন, ভারত ও পাকিস্তানের দূতদের সাক্ষাৎ
ঢাকায় নিযুক্ত এশিয়ার তিন দেশ চীন, ভারত ও পাকিস্তাননের দূতরা রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ...
এএফপিকে বললেন তারেক রহমান : নিরঙ্কুশ জয়ের প্রত্যাশা, তবে সামনে ‘বিশাল’ চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদের শীর্ষ প্রার্থী তারেক রহমান বলেছেন, চলতি সপ্তাহের নির্বাচনে জয়ী হলে সামনে তার জন্য ‘বড়’ চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে।...
জামায়াত জিতলে লাল ফিতার দৌরাত্ম্য, ঘুষের নামে ‘স্পিড মানি’ বন্ধ করা হবে: শফিকুর রহমান
ক্ষমতায় গেলে লাল ফিতার দৌরাত্ম্য বন্ধ করে ঘুষ ও চাঁদাবাজিমুক্ত একটি ব্যবসাবান্ধব রাষ্ট্র গড়ার অঙ্গীকার করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর...
