সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠিয়ে উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বিবৃতি দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত ১৩৬ জন আমলা। আজ শুক্রবার এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এ আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ‘বেগম খালেদা জিয়া গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তিনি বর্তমানে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছেন। মিথ্যা-সাজানো মামলায় সরকারের নির্দেশনায় আজ্ঞাবহ আদালত তাকে দণ্ড প্রদান করায় দীর্ঘদিন কারাভ্যন্তরে ছিলেন। সেখানে তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান করা হয়নি। বর্তমানে তিনি নিজ গৃহে কারাবন্দী আছেন। এ অবস্থায় তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে ঢাকাস্থ এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।’
বিবৃতিতে তারা বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়াকে বাঁচাতে হলে বিদেশে উন্নত সুচিকিৎসা প্রয়োজন। বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত অবনতিশীল স্বাস্থ্যের পরিপ্রেলিমঘতে যেকোনো অপূরণীয় ক্ষতির পূর্বেই অনতিবিলম্বে তার উন্নত চিকিৎসা প্রদানের লক্ষ্যে আধুনিক চিকিৎসা সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত বিদেশি হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ অত্যাবশ্যক। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতামতের পরিপ্রেক্ষিতে এবং বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতিতে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ও উৎকণ্ঠিত। এই অবস্থায় আমরা প্রজাতন্ত্রের ১৩৬ জন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সরকারের প্রতি জোর আহ্বান জানাচ্ছি অনতিবিলম্বে বেগম জিয়াকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসা গ্রহণের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে।’
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করা অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা হলেন- এ এস এম আব্দুল হালিম, মো. আবদুল কাউয়ুম, মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, সৈয়দ সুজাউদ্দিন আহমেদ, মো. আব্দুর রশীদ সরকার, ড. মোহাম্মদ জকরিয়া, মকসুমুল হাকিম চৌধুরী, মো. আবদুজ জাহের, আফতাব হাসান, নাসিমুল গনি, মো. আজিজুল ইসলাম, ইকতেদার আহমেদ, মো. মনসুর আলম, এ কে এম মাহফুজুল হক, শেখ মো. সাজ্জাদ আলী, মো. মেজবাহুন্নবী, বাহারুল আলম, মোহাম্মদ মাজেদুল হক, মো. খান সাঈদ হাসান, মো. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, মোহা. আবুল কালাম আজাদ, এম আকবর আলী, প্রফেসর ডা. এ জেড এম জাহীদ হোসেন, বিজন কান্তি সরকার, এ বি এম আব্দুস সাত্তার, তপন চন্দ্র মজুমদার, এ কে এম জাহাঙ্গীর, আখতার আহমেদ, মো. আবদুল বারী, এস এম শমসের জাকারিয়া, মুন্সি আলাউদ্দিন আল আজাদ, ড. মো. আব্দুস সবুর, মো. আতাউল হক মোল্লা, এ এইচ এম মোস্তাইন বিল্লাহ, মো. আব্দুল খালেক, এম এম সুলতান মাহমুদ, মো. ফিরোজ খান নুন, মো. ওয়াছিম জাব্বার, মো. এমদাদুল হক, খন্দকার মো. মোখলেছুর রহমান, মো. ফেরদৌস আলম, মো. ফজলুল করিম, মো. আবু তালেব, মো. আমিনুল ইসলাম, ড. মো. ফেরদৌস হোসেন, মো. গিয়াস উদ্দিন মোগল, মো. আফজল হোসেন, মো. শেফাউল করিম, জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী, শহীনুল ইসলাম, সৈয়দ লোকমান আহমেদ, এস এম মনিরুল ইসলাম, মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, মো. মহিবুল হক, মো. ফজলুল হক, মো. আজহারুল ইসলাম, বশীর উদ্দীন আহমেদ, মো. নবীউল হক মোল্যা, ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া, মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, কাজী মেরাজ হোসেন, মোহাম্মদ মসিউর রহমান, আব্দুর রহিম মোল্লা, মো. শফিক আনোয়ার, মো. আব্দুল মান্নান, মো. আফতাব আলী, মো. তৌহিদুর রহমান, মো. আব্দুল্লাহ্-আল-বাকী, মো. জামাল হোসেন মজুমদার, এ বি এম সিরাজুল হক, কাজী ইমদাদুল হক, ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া, মো. জাকির হোসেন কামাল, মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরী, মো. ইলিয়াস, তপন কুমার সাহা, জগন্নাথ দাস খোকন, মো. আব্দুল মতিন, এ. কে এম ইহসানুল হক, ড. মো. সুরাতুজ্জামান, মো. তাজুল ইসলাম মিয়া, তালুকদার সামছুর রহমান, এ এম সাইফুল হাসান, মো. বকতিয়ার আলম, মো. ওবায়দুর রহমান খান, শেখ ওমর ফারুক, এম মাহবুব আলম, মো. আলমগীর আলম, এস এম কামাল হোসেন, কাজী মোরতাজ আহমেদ, মো. দেলোয়ার হোসেন মিঞা, মুহম্মদ শহীদুল্যাহ্ চৌধুরী, মো. আব্দুর রহিম, মো. আলী হোসেন ফকির, আলী আকবর খান, ড. মো. নাজমুল করিম খান, মো. আব্দুল মান্নান, মোহাম্মদ শোয়েব আহম্মদ, কর্ণেল (অবঃ) মুহাম্মদ ইসহাক মিয়া, লেঃ কর্ণেল (অবঃ) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী, মো. সামসুল আলম, মো. গোলাম মোস্তফা, মো. শাহবুদ্দীন, প্রকৌশলী মো. হানিফ, সৈয়দ মোহাম্মদ হোসাইন, অধ্যাপক ডা. খন্দকার জিয়াউল ইসলাম জিয়া, মো. মহব্বত হোসেন, মো. আখতারুল আলম, ডা. এ কে এম মহিউদ্দিন ভূইয়া, মাহফুজুল ইসলাম, কৃষিবিদ কাজী জাহাঙ্গীর কবির, জালাল উদ্দিন আহমেদ, গোলাম মরতোজা, ড. মো. জিয়াউল ইসলাম মুন্না, মো. জাকির হোসেন জামাল, মো. সফিউল আহাদ সরদার, অ্যাড. নূরুল ইসলাম জাহিদ, তারেকুল ইসলাম (মঈন), গাজী মোহাম্মদ ইব্রাহীম, মো. হুমায়ুন কবির, মো. আবুল কালাম আজাদ, মো. শরিফুল ইসলাম, কামরুল হোসেন, মিসেস মাহফুজা আক্তার, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. আব্দুল আলিম, কে এম তৌহিদুল ইসলাম, এম মোরশেদুল করিম, মাহবুব আল জাহান (লিটন), মনিরুজ্জামান খান, সায়্যিদ আহমদ (সাইক্লোন), মোহাম্মদ নাছির খান, মোহাম্মদ হারুন আর রশিদ, মো. ওয়ালিদ হোসেন, মো. জাহিদুল ইসলাম সুমন এবং মো. আলিউর রেজা।
More Stories
জুলাই আন্দোলনে আহত-শহিদ পরিবারের সন্তানদের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত বিনা বেতনে শিক্ষার সুযোগ দেবে সরকার
জুলাই আন্দোলনে আহত, পঙ্গুত্ববরণকারী শিক্ষার্থী এবং শহিদদের সন্তানদের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক...
১৭ বছর লড়াইয়ের পরও বহিষ্কার, মুখ খুললেন রুমিন ফারহানা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের আংশিক) থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া...
ঈদের পরে প্রথম কার্যদিবসে টানা ১১ ঘণ্টা অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী
পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটির আমেজ পুরোপুরি কাটেনি। এখনও অনেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদ উদযাপন করছে। তাই, কর্মস্থলে ফেরেনি বহু মানুষ। কিন্তু...
জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা দ্বিধাগ্রস্ত জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে: রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, মেজর জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা-বিভ্রান্ত ও দ্বিধাগ্রস্ত পুরো জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে, অসম সাহসী করে তোলে, সশস্ত্র যুদ্ধে...
স্বনির্ভর ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
একটি ন্যায়ভিত্তিক, উন্নত-সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামীকাল ‘গণহত্যা দিবস’...
দেড়যুগ পর স্বাধীনতা দিবসে ফিরছে কুচকাওয়াজ, থাকবে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিরক্ষা প্রদর্শনী
দীর্ঘ দেড়যুগ পর আবারও ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে ফিরছে ঐতিহ্যবাহী কুচকাওয়াজ। জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর...
