করোনার সময় যে অভিবাসী নারী শ্রমিকরা দেশে ফিরে এসেছেন তারা ৭ শতাংশ এবং পুরুষ অভিবাসী শ্রমিকরা ৯ শতাংশ সুদে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে পারেন বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মজিবর রহমান। তিনি বলেন, এই ঋণ নিতে সার্ভিস চার্জ, প্রসেসিং ফি লাগে না। এ পর্যন্ত ১ লাখ ৫ হাজার অভিবাসী শ্রমিককে ঋণ দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের খেলাপি ঋণ রয়েছে কি না তা খোঁজখবর নিয়ে ঋণ দেওয়া হয়।

সিডব্লিউসিএস আয়োজিত ও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের সহায়তায় আজ রোববার সকাল ১০টায় সিরডাপ মিলনায়তনে এক মতবিনিময় সভায় প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মজিবর রহমান এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএমইটির মহাপরিচালক মো. শহীদুল আলম বলেন, ‘অভিবাসী নারী শ্রমিক ছয় মাসের মধ্যে নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশে ফেরত এসেছে প্রমাণ করতে পারলে ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। কী কী যোগ্যতা থাকলে নারী শ্রমিকরা বিদেশে চাকরি করতে যেতে পারবেন এর সঠিক একটি নির্দেশিকা থাকা দরকার।

‘ভাষার ব্যবহার, খাবারের অভ্যাস, কাজের দক্ষতা- এসব বিষয়ে আমাদের দেশের চেয়ে ফিলিপাইন, ভারতের নারীরা স্মার্ট। যার কারণে তারা বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের চেয়ে বেতনও বেশি পায়।’

তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক অভিবাসী শ্রমিককে দুটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠালে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না।

সিডব্লিউসিএসের সভাপতি অধ্যাপক ইশরাত শামীমের মতে, ‘অভিবাসী নারী শ্রমিকরা দেশে ফিরে এলে পরিবারের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়। ফেরত আসা অভিবাসী নারী শ্রমিকদের জীবন মানোন্নয়নে আমরা কাজ করছি।’

Previous post দ. কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বস্ত কুকুর: উত্তর কোরিয়া
Next post মহিষের গুঁতোয় আহত সাবেক এমপি বদি
Close