বিশ্বব্যাংকের ‘গভটেক লিডারস’ তালিকায় স্থান করে নিয়েছে বাংলাদেশ। ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারের বিভিন্ন সেবা প্রদান এবং এসব সেবা গ্রহণে নাগরিকদের সম্পৃক্ত করার ইকোসিস্টেম তৈরিতে নতুন নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের কারণে তালিকায় স্থান হয়েছে বাংলাদেশের।

অনলাইনে বিশ্বব্যাংকের প্রকাশিত গভটেক ম্যাচুরিটি ইনডেক্স (জিটিএমআই) ২০২২- এ বাংলাদেশ এই অবস্থানে উঠে এসেছে।

বৃহস্পতিবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের অ্যাস্পায়ার টু ইনোভেশন (এটুআই) প্রকল্প থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বিশ্বব্যাংকের জিটিএমআই-২০২২ তথ্য অনুসারে- মোট ০.৮৪ স্কোর (১.০০ এর মধ্যে) নিয়ে জিটিএমআইর ‘ক্যাটাগরি এ : ভেরি হাই গভর্নমেন্ট ম্যাচুরিটি’তে স্থান করে নিয়েছে বাংলাদেশ। এই গ্রুপে থাকা প্রতিটি দেশকে ‘গভটেক লিডারস’ হিসেবে বিবেচনা করে বিশ্বব্যাংক। নতুন স্কোরের ভিত্তিতে বিশ্বের ১৯৮টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ২৯তম অবস্থানে রয়েছে।

জিটিএমআই-২০২০ এ বাংলাদেশের স্কোর ছিল ০.৭২ (১.০০ এর মধ্যে) এবং অবস্থান ছিল ক্যাটাগরি বি : হাই গভটেক ম্যাচুরিটি গ্রুপে।

এটুআই আরও জানায়, জিটিএমআই-২০২২ এ সরকারি খাতের বিভিন্ন সেবা প্রদানের ডিজিটাল রূপান্তরের চারটি প্রধান দিককে মূল্যায়ন করা হয়েছে। এগুলো হলো- কোর গভর্নমেন্ট সিস্টেমস, পাবলিক সার্ভিস ডেলিভারি, সিটিজেন এনগেজমেন্ট এবং গভটেক এনাবলার্স।

বিশ্বব্যাংকের ফ্ল্যাগশিপ এই প্রতিবেদনে বিশ্ব অর্থনীতির ১৯৮টি দেশের গভটেক ম্যাচ্যুরিটির একটি চিত্র উপস্থাপন করা হয়েছে। জিটিএমআই-২০২২ এ গভটেকের নতুন নতুন প্রবণতা, অনুশীলন ও সেগুলো বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিচ্ছে।

জিটিএমআই তথ্যানুসারে, সরকারিভাবে গভটেক বাস্তবায়নে বিশ্বের গড় স্কোর হলো ০.৫৫২ (১.০০ এর মধ্যে)। আর কোর গভর্নমেন্ট সিস্টেমস ইনডেক্সের (সিজিএসআই) এর স্কোর ০.৫৭৫, পাবলিক সার্ভিস ডেলিভারি ইনডেক্সের (পিএসডিআই) স্কোর ০.৬৪৯, ডিজিটাল সিটিজেন এনগেজমেন্ট ইনডেক্সের (ডিসিইআই) স্কোর ০.৪৪৯, এবং গভটেক এনাবলার্স ইনডেক্সের (জিটিইআই) স্কোর হলো ০.৫৩৬।

বিশ্বব্যাংকের জিটিএমআই২০২২ রিপোর্টে বাংলাদেশের অবস্থান সঠিকভাবে উপস্থাপনের লক্ষ্যে একনিষ্ঠভাবে কাজ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং এটুআই। জিটিএমআই২০২২ রিপোর্টিংয়ের অংশ হিসেবে সরকারের সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর ও সংস্থার কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ ও সার্বিক সমন্বয়ের জন্য একাধিক পরামর্শমূলক কর্মশালার আয়োজন করে সংস্থাটি। পরবর্তীতে এটুআই সরকারের বিভিন্ন দপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য সমন্বিত করে বিশ্বব্যাংকের কাছে পাঠায়।

Previous post পিনাকী ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা
Next post বেড়েই চলছে ব্রিটেনের মূল্যস্ফীতি, বিপাকে বাংলাদেশিরা
Close