কুয়েতে বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকায় দুই ঈদের নামাজ ও জুমার নামাজে বাংলা খুতবা পাঠের অনুমতি দিয়েছে দেশটির ধর্ম মন্ত্রণালয় (ওয়াক্‌ফ)। বাংলাদেশি ইমামরা এসব মসজিদে ঈমামতি করে থাকেন। এছাড়াও যে অঞ্চলগুলোতে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কার নাগরিক বসবাস করে সেসব এলাকায় ওই ভাষায় খুতবা পাঠ করা হয়।

শুক্রবার (১৭ জুন) বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকায় খুতবার আলোচ্য বিষয় ছিল- হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি ঈমানদারদের প্রেম ও ভালবাসা। আব্দুল্লাহ বিন আমর মসজিদে মুসল্লিদের কাছে কুরআন ও হাদিসের আলোকে এ বিষয়ে আলোচনা করেন খতিব মাওলানা আবু তাহের।

কুয়েতের সেসব মসজিদে বাংলা খুতবা চালু রয়েছে সেগুলো হলো- কুয়েত সিটির সালেহ আল ফুদালা মসজিদ, উমর বিন খাত্তাব (রা.) মসজিদ, গাতা-০৫ ফরওয়ানিয়া, আব্দুল্লাহ বিন আমর মসজিদ, গাতা-৪ রুমোতিয়া, নাদী ফুরুসিয়া মসজিদ, কাবাদ চেবদী, উসমান বিন আফফান মসজিদ, আমগারা, শাবরা ত্বামী, গাতা-০৯ সুলাইবিয়া, সালেহ আল নামাশ মসজিদ, জাহারা দুম্বা বাজার, আতিকী মসজিদ, সুলাইবিয়া, মারজুক মুতাদ মুতাইরী মসজিদ, সাদ আব্দুল্লাহ, মসজিদ রহমান, জাহারা সানাইয়া, ফেরদাউস মসজিদ, গাতা-০২ মাহবিল্লা, মসজিদ নূর, সামলি রোড় ৫ কিলো ও শাবরা মসজিদ, আবদালী ৫৯ কিলো। এ মসজিদগুলো ছাড়াও বাঙালি অধ্যুষিত অঞ্চলে প্রায় ২০টির অধিক মসজিদে জুমার নামাজে বাংলা খুতবা পাঠ করা হয়।

বাংলাদেশ কুরআন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সালমিয়া অঞ্চলে রুমোতিয়া শাখার সভাপতি মোহাম্মদ ফারুক মিয়া বলেন, কুয়েতের সরকারের ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে কুয়েতের যে অঞ্চলগুলোতে যে দেশের নাগরিক বেশি বসবাস করেন তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে যাচাই-বাছাই করে ঐ ভাষায় দুই ঈদ নামাজ ও জুমার নামাজে খুতবা পাঠের অনুমতি দিয়ে থাকে। রুমোতিয়া আরবি আবাসিক এলাকা এই এলাকা এবং আশপাশের এলাকায় অনেক বাংলাদেশি বসবাস করেন।

তিনি বলেন, সালুয়া, সালমিয়া, বয়ান, মিশরেফ এলাকা থেকে শুক্রবার জুমার নামাজ পড়তে আসেন। ছুটির দিনে ভাই-বন্ধুদের সঙ্গে মিলিত হয়ে নামাজ আদায় করেন। একে অন্যের সঙ্গে ভাব বিনিময়ের সুযোগ হয়।