মালয়েশিয়া আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে পাঁচ লাখ কর্মী নেবে। এর মধ্যে আগামী বছরই নেবে দুই লাখ কর্মী।

বৃহস্পতিবার (২ জুন) বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন। বৈঠকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ ও মালয়েশিয়ার মানব সম্পদমন্ত্রী এম সারাভানান উপস্থিত ছিলেন।

ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন বলেন, মালয়েশিয়া বাংলাদেশ থেকে নিরাপত্তা কর্মী ও গৃহকর্মী নিতে আগ্রহী। কর্মীদের বেতন হবে ১৫ হাজার রিঙ্গিত।

গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর জনশক্তি রপ্তানির জন্য বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া চুক্তি স্বাক্ষর করে। তবে মালয়শিয়ার পক্ষ থেকে জনশক্তি রপ্তানিতে সুনির্দিষ্ট কিছু এজেন্সির নাম প্রস্তাব করা হয়। এতে বাঁধে বিপত্তি। রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো মনে করে, সুনির্দিষ্ট কিছু এজেন্সির মাধ্যমে কাজ হলে শ্রমিক প্রতি খরচ দাঁড়াবে সাড়ে ৪ লাখ টাকা। কারণ ওই এজেন্সিগুলোকে জনপ্রতি ১ লাখ ২০ হাজার টাকা বাড়তি দিতে হবে।

এ বিষয়ে ইমরান আহমদ বলেন, বাংলাদেশে এখন বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির সংখ্যা ১৫২০। আমরা কিন্তু এই তালিকা তাদের পাঠিয়েছিলাম। সমঝোতা অনুযায়ী রিক্রুটিং এজেন্ট নির্বাচন করার অধিকার মালয়েশিয়ার। যেহেতু তারা লোক নেবে সেহেতু অধিকার তাদের।রিক্রুটিং এজেন্টরা যারা ব্যবসা করতে চায় তারা নিজেরাই নিজের ব্যবসা খুঁজবে।

অভিবাসন খরচ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, খরচ কিন্তু সমঝোতায় উল্লেখ করা আছে। কিছু অংশ বাংলাদেশের প্রান্তে খরচ আছে সেটি কর্মীকে বহন করতে হবে। আর বিমান টিকেট থেকে শুরু করে বাকি যাবতীয় খরচ নিয়োগকর্তার। আগের সমঝোতায় বিমান টিকেট একটি ছিল। আর এখন আসা যাওয়া দুটির খরচ নিয়োগকর্তার।