বাংলাদেশকে ইন্দো-প্যাসিফিক ইকোনমিক ফ্রেমওয়ার্ক বা ভারত–প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক কাঠামো (আইপিইএফ) সম্পর্কে ব্যাখ্যা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশ আইপিইএফ-এর সাপ্লাই চেইন স্থিতিস্থাপকতা এবং ডিকার্বনাইজেশন পিলারের অতিরিক্ত তথ্যকে স্বাগত জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র উচ্চ পর্যায়ের অর্থনৈতিক বৈঠকে এ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়।

পরিবেশ সুরক্ষা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ তার সমুদ্র সস্পদের টেকসইভাবে অন্বেষণ এবং নীল অর্থনীতির আরও বিকাশের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিগত সহায়তা চেয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জ্বালানি ও পরিবেশ বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি ডব্লিউ ফার্নান্দেজ আলোচনায় সহ-সভাপতিত্ব করেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এক ডজন প্রাথমিক অংশীদারের সঙ্গে আইপিইএফ চালু করেছেন। বিশ্ব জিডিপির ৪০ শতাংশ প্রতিনিধিত্ব করা দেশগুলো হলো—অস্ট্রেলিয়া, ব্রুনাই, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, কোরিয়া প্রজাতন্ত্র, মালয়েশিয়া, নিউজিল্যান্ড, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম।

এর আগে বুধবার বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার ডি. হাস বলেন, ‘অন্যান্য দেশের জন্য সম্প্রতি চালু হওয়া ইন্দো-প্যাসিফিক ইকোনমিক ফ্রেমওয়ার্ক ফর প্রসপারটিতে (আইপিইএফ) যোগদানের সুযোগ থাকবে।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত জানান, আইপিইএফ নিয়ে মার্চ মাসে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং তিনি আশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ এটি নিবিড়ভাবে অনুসরণ করবে।

উচ্চ স্তরের অর্থনৈতিক পরামর্শের পর শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একটি যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে—উভয় দেশই একটি মুক্ত, উন্মুক্ত অন্তর্ভুক্তিমূলক, শান্তিপূর্ণ এবং নিরাপদ ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ব্যক্ত করেছে।

এদিকে, নিউইয়র্ক ও ঢাকার মধ্যে বিরতিহীন ফ্লাইট পুনরায় চালু করার বিষয়টির উচ্চ অগ্রাধিকার দিতে বাংলাদেশ আহ্বান জানিয়েছে।

উভয় পক্ষই এটিকে দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার জন্য পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানানো হয়েছে।