দীর্ঘদিন পর প্রতিদ্বন্দ্বিপূর্ণ নির্বাচণের মধ্য দিয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করেছে বাংলাদেশ ইউনিটি ফেডারেশন অব লস এঞ্জেলেস।

গত ২৯ মে ২০২২ মাত্র একটি পদের জন্য এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় শুধু মাত্র প্রেসিডেন্ট পদে জন্য। এ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন জিয়া ইসলাম ও ইলিয়াস শিকদার। বাফলার ইতিহাসে নির্বাচনে চরম উত্তেজনাপূর্ণ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলে। তবে অত্যান্ত সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এখানে উল্লেখ্য যে, এ সংগঠনের প্রথম নির্বাচন হয়েছিল ২০০৮ সালে। ডা: আবুল হাসেম সেই নির্বাচনে প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে এই নির্বাচনে বিভক্তি সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছিল প্রেসিডেন্ট জসিম আশরাফী’র সময়কালে ও মোহম্মদ সামসুদ্দিন মানিকের সময়। বাকি সময়ে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন অনেকেই। দীর্ঘকাল পর ২০২২-২০২৪ এর নির্বাচনে উত্তেজনা বিরাজ করে।

১৩ এবং ১০ ভোটের বিনিময়ে জিয়া ইসলাম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। এ নির্বাচনে দুজন ভোটার অনুপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচনের পর উপস্থিত সকলের সামনে বাফলার কার্যালয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোরশেদ হায়দার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন। নির্বাচন কমিশনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টিয়া হাবিব ও আনোয়ার হোসেন রানা। প্রেসিডেন্ট ব্যাতিত অন্যান্য পদের সকলেই বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তাদের মধ্যে- প্রেসিডেন্ট জিয়া ইসলাম, ভাইস প্রেসিডেন্ট রোশনি আলম, জেনালের সেক্রেটারি মাহাবুব রহমান শাহিন, ফাইন্যান্স সেক্রেটারি খোরশেদ আলম, পাবলিক রিলেশন সেক্রেটারি জামিউল ইসলাম বেলাল, কালচারাল সেক্রেটারি মোহম্মদ আলী এবং অরগানাইজিং সেক্রেটারি মোহম্মদ হক রাজু।

নির্বাচনের ফল ঘোষণা হওয়ার পর পরাজিত প্রার্থী বিজয়ী প্রার্থীকে শুভেচ্ছা জানান। এসময় উপস্থিত সকলে করতালি দিয়ে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিকে সম্মান প্রদর্শন করেন।

পরাজিত প্রার্থী ইলিয়াস শিকদার বক্তব্যের মাধ্যমে ভোটারদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং প্রেসিডেন্ট ইলেক্টকে শুভেচ্ছা জানান। বিজয়ী প্রার্থী জিয়া ইসলাম তার বক্তব্যের মাধ্যেমে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

সমগ্র নির্বাচনে উত্তেজনা বিরাজ করলেও কোন প্রকার অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটেনি।

তবে এখানে উল্লেখ্য যে, নির্বাচন নিয়ে কোন প্রকার সহিংস ঘটনা না ঘটলেও ফলাফল ঘোষণার পর বাহিরে অস্বাভাবিক পরিস্থিতির অবতারণা হয়। জনৈক ব্যক্তি গোপনে প্রতিপক্ষের ব্যক্তিগত আলোচনার ভিডিও রেকর্ড করতে গেলে তিনি ধরা পড়েন। এ সময় অস্বাভাবিক পরিস্থিতর সৃষ্টি হয় এবং নেতৃবৃন্দের মধ্যস্থতায় মুচলেকা প্রদানের মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

Previous post ক্যালিফোর্নিয়া বিএনপি’র উদ্যোগে জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী পালিত
Next post লস এঞ্জেলেসে মননশীল ও মনমুগ্ধকর স্বর্ণালী কবিতা সন্ধ্যা
Close