নজরুলচর্চায় বিশেষ অবদানের জন্য ‘নজরুল পুরস্কারে’ ভূষিত হলেন লেখক-অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। এবারই প্রথম এই পুরস্কার চালু করেছে বাংলা একাডেমি। এখন থেকে প্রতিবছর নজরুল সাহিত্যের একজন গবেষক/সমালোচক/অনুবাদক বা সংগীতশিল্পীকে দেয়া হবে ২ লাখ টাকা মূল্যমানের এ পুরস্কার।

রবিবার (২৯ মে) বিকেলে বাংলা একাডেমি চত্বরের নজরুল মঞ্চে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

পুরস্কার গ্রহণের পর তিনি বলেন, ‘আমাদের সবার জীবনের সঙ্গে নজরুলের যোগ রয়েছে। কারণ, নজরুল-পাঠ প্রতিটি ব্যক্তিকে প্রভাবিত করে, অনুপ্রাণিত করে।’

অনুষ্ঠানে নজরুল পুরস্কার প্রদান ছাড়াও নজরুলবিষয়ক একক বক্তৃতা এবং ‘বিদ্রোহী: শতবর্ষের শতদৃষ্টি’ শীর্ষক স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন হয়। শুরুতেই সদ্য প্রয়াত সাহিত্যিক-সাংবাদিক আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন সবাই।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেন, ‘নজরুলের বিদ্রোহী কবিতার শতবর্ষ এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী আমাদের সমস্ত অন্যায়-অবিচার-অন্ধত্ব-কুসংস্কার-ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে লড়াই করতে অনুপ্রেরণা জোগায়।’

সূচনা বক্তব্য দেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবুল মনসুর এবং সংগীতশিল্পী লীনা তাপসী খান। আয়োজনের সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন।

অনুষ্ঠানে অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর হাতে পুরস্কারের অর্থমূল্যের চেক, সম্মাননাপত্র, সম্মাননা স্মারক তুলে দেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী।

Previous post কুয়েত প্রবাসীদের বর্ষবরণ
Next post ছাত্রদল ক্ষমা চাইলে ঢাবি ক্যাম্পাসে ঢুকতে পারবে: ছাত্রলীগ সভাপতি
Close