পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, বিশ্বব্যাংক আমাদের দেশকে আরও ঋণ দিতে চায়। আমরা অর্থায়ন সেই খাতে নেব যেখানে বিনিয়োগের ফলে অর্থনীতির গ্রোথ হবে। আমরা ঋণ বুঝেশুনেই নেব।

মঙ্গলবার (২৪ মে) দুপুরে মন্ত্রণালয়ের নিজ দপ্তরে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সামগ্রিক অবস্থা অত্যন্ত স্থিতিশীল ও ঊর্ধ্বমুখী। এ বিষয়ে তারা আজ উল্লেখ করেছে যে বাংলাদেশ এখন তলাবিহীন ঝুড়ি নয়। বাংলাদেশ এখন উদীয়মান শক্তিশালী দেশ হিসেবে এগিয়ে যাচ্ছে। তারা সম্ভাব্য সবক্ষেত্রে আমাদের অর্থায়নের আশ্বাস দিয়েছে।

তাজুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের এখন বিদেশি ঋণের পরিমাণ জিডিপির ৩.৬ শতাংশ। আমাদের সমসাময়িক আশেপাশের দেশগুলোর অধিকাংশের জিডিপির ৮০/৯০ ভাগের বেশি। এশিয়ার মধ্যে ঋণের দিক দিয়ে আমাদের অবস্থা সবচেয়ে ভালো, সব চেয়ে কম ঋণ আমাদের। সেজন্য তারা আমাদের আরও বেশি ঋণ দিতে চায়। কারণ আমরা কখনো ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হইনি।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আমাদের ঢাকাসহ সকল শহরের পাশাপাশি গ্রামীণ উন্নয়নের ব্যাপারে পরিকল্পনা এবং তা বাস্তবায়ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এ ছাড়া সেনিটেশন, ওয়াটার সাপ্লাই, গ্রামীণ কমিউনিকেশন ডেভলপমেন্ট, ব্রিজ, রাস্তাঘাট নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তারা সব ক্ষেত্রে অর্থায়নের কথা বলেছে। আজকের মিটিংয়ের প্রেক্ষাপটে তারা তাদের হেডকোয়ার্টারে কিছু প্রপোজাল পাঠাবে।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে তাদের ২.৮৭ বিলিয়ন ডলারের মতো অর্থায়নের প্রকল্প কাজ চলমান আছে। ইতিমধ্যে একটি ৩০০ মিলিয়ন ডলারের এবং আরেকটি ৫০০ মিলিয়ন ডলারের প্রজেক্ট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তারা প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলার বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তাদের অর্থায়নে চলমান প্রকল্পের বিষয়ে তারা অনেক ইতিবাচক বক্তব্য রেখেছে।

Previous post রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ব্যবস্থা নিতে জাতিসংঘের প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান
Next post আমরা আশাবাদী যৌথ আন্দোলনের ক্ষেত্র তৈরি হবে: মির্জা ফখরুল
Close