পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল বাবর ইফতিখার বলেন, ‘আজ যা ঘটেছে তা নিয়ে আমাদের সেনাবাহিনীর কিছু করার নেই।’ দেশটির জিও নিউজের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আজকের রাজনৈতিক ঘটনার সঙ্গে সেনাবাহিনীর যোগসূত্র থাকার কথা পুরোপুরি উড়িয়ে দেন বাবর ইফতিখার।

রবিবার (৩ এপ্রিল) ইমরান খানের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাবকে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫–এর বিরোধী আখ্যা দিয়ে দেশটির ডেপুটি স্পিকার কাসিম খান সুরি তা নাকচ করে দিয়েছেন।

এর পর ইমরান খান দেশটির পার্লামেন্ট ভেঙে দিতে প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভিকে সুপারিশ করেন। এর পর তাই করেছেন প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি। তিনি দেশটির পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়েছেন। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে দেশটির রাজনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে।

এখন পাকিস্তানের নিয়ম অনুযায়ী, আগামী ৯০ দিনের মধ্যে দিনের মধ্যে দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন হবে। এই সময়ে অবশ্য ইমরান খান প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন। তবে মন্ত্রিসভা বিলুপ্ত হয়ে যাবে।