ইউক্রেনে চলমান রুশ আগ্রাসনের কারণে এখন পর্যন্ত ২০ লাখ মানুষ দেশ ছেড়েছে। এই সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। এ তথ্য দিয়েছেন জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার প্রধান ফিলিপ্পো গ্রান্ডি। খবর বিবিসির।

মঙ্গলবার (৮ মার্চ) এক টুইটে ফিলিপ্পো জানান, ইউক্রেন থেকে পালানো মানুষের সংখ্যা ২০ লাখে পৌঁছেছে।

বিগত ১২ দিনের এই অভিযানে ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি নগরী দখল করে নিয়েছে রুশ সেনারা। এতে দেশটির বিভিন্ন নগরীতে হতাহত হয়েছে বহু সংখ্যক মানুষ। গতকাল ৭ মার্চ রাতে সুমি ও আশপাশের এলাকায় বিমান হামলা হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুসহ ১০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

গতকাল ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় ইউক্রেনের সুমি অঞ্চলের সামরিক প্রশাসনের প্রধান দিমিত্র ঝিভিৎস্কি বলেন, স্থানীয় সময় রাত ১১টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহরে বিমান হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এ হামলায় ১০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে শিশুও রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সামরিক অভিযান ঘোষণার কয়েক মিনিট পরেই ইউক্রেনে বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করে রুশ সেনারা। এরপর থেকে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ চলছে। ইতোমধ্যে ইউক্রেনের প্রায় ১৫ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এ ছাড়া দেশটির দুই হাজারের বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং রাশিয়ার ১১ হাজার সৈন্য নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে ইউক্রেন।

অন্যদিকে রাশিয়া দাবি করেছে, যুদ্ধে তাদের ৪৯৮ সৈন্য নিহত এবং ইউক্রেনের ২ হাজার ৮৭০ জনের বেশি ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া জাতিসংঘ জানিয়েছে, রুশ হামলায় এখন পর্যন্ত ইউক্রেনের ৩৬৪ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। যদিও সংস্থাটি বলেছে, এটি নিশ্চিত যে প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা হয়তো অনেক বেশি।