লস এঞ্জেলেসস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে “ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ” উদযাপন করেছে। লস এঞ্জেলেসে করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় স্থানীয় সরকারের স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি প্রতিপালন করে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ এর অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

কনস্যুলেটের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর উপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত কনসাল জেনারেল কর্তৃক জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে “ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ” উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচির সূচনা করা হয়। অতঃপর চ্যান্সেরীর বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে স্থাপিত জাতির পিতার ম্যুরালে পুস্পস্তবক অর্পণ করে সম্মান জানানো হয়। পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করার পর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে প্রেরিত মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। এছাড়াও অনুষ্ঠানে ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের উপর একটি প্রামান্য চিত্র প্রদর্শণ করা হয়।

ভারপ্রাপ্ত কনসাল জেনারেল জনাব মোঃ ওয়ালিউর রহমান তাঁর বক্তব্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁর অবিস্মরণীয় অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন যে, জাতির পিতার ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের শুরু হয়। অতঃপর তিনি ৭ই মার্চের ভাষণের তাৎপর্য ও এর গুরুত্বপূর্ণ দিক সম্পর্কে অনুষ্ঠানে আলোকপাত করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, বাঙালি জাতি হিসেবে আমরা এ অর্জনে আনন্দিত ও গর্বিত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে এবং গৃহীত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাতির পিতার স্বপ্নের “সোনার বাংলা” গঠনে তিনি সকলকে যার যার অবস্থান থেকে অবদান রাখার অনুরোধ জানান।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর পরিবারের নিহত সকল সদস্য ও জাতীয় চার নেতাসহ মুক্তিযুদ্ধের সকল শহিদদের রূহের মাগফেরাত এবং দেশের শান্তি, মঙ্গল ও উন্নয়ন কামনা করে বিশেষ দোয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ করা হয়।