আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতির ছয় বছর পূর্বে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সামনে মহান একুশে পালনে বিশ্বজিত সাহার নিরবিচ্ছিন্ন প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে বলেন, মুক্তধারা ফাউন্ডেশন বিদেশে রাষ্ট্রদূতের ভূমিকা পালন করে চলেছেন।

২৭ ফেব্রুয়ারি বিকেল চারটায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ-এ ‘শেকড়ের সন্ধানে’ আয়োজিত জাতিসংঘের সামনে একুশে উদযাপন সংক্রান্ত আলোচনা সভায় মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে শেকড়ের সন্ধানের আয়োজনে ও শাহ্‌ গ্রুপ, নিউ ইয়র্ক-এর সহযোগিতায় আয়োজিত ‘জাতিসংঘের সামনে একুশে উদযাপন’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্বজিত সাহা অনেক কিছু করেছেন। তার মধ্য থেকে কয়েকটির কথা যদি বলি, প্রবাসে বাংলা ভাষার চর্চা ও মর্যাদা বৃদ্ধিতে পথপ্রদর্শকের ভূমিকায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। তিনি নীরবে কাজ করে সবাইকে সংযুক্ত করেছেন। মুক্তধারা নিউ ইয়র্ক, মুক্তধারা ফাউন্ডেশন ও বিশ্বজিত সাহা একে অপরের পরিপূরক।

ডা: দীপু মনি বলেন, একুশের আন্তর্জাতিকীকরণের স্বীকৃতিতে ২০২০ সালে বিশ্বজিত সাহার আবেদনে নিউ ইয়র্ক স্টেট সিনেটে জেসিকা রামোসের মাধ্যমে উত্থাপিত একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে রেজুলেশন পাস করা হয়। কি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার মানুষগুলোকে তিনি এর সঙ্গে যুক্ত করে ফেলেছেন সেটা নিশ্চই খুব সহজ কাজ ছিল না। তিনি এই অসাধ্যকে সাধন করেছেন।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সামনে একুশে ফেব্রুয়ারি পালনের উদ্যোক্তা বিশ্বজিত সাহা। তিনি তার প্রবন্ধে মুক্তধারা ফাউন্ডেশন ও বাঙালি চেতনা মঞ্চের যুগপদ চলার ৩০ বছরকে অভিবাসী সমাজে একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে ২০২০ সালে নিউ ইয়র্ক স্টেট সিনেটে পাশকৃত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের রেজুলেশনটি ঢাকায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সংরক্ষণের জন্য শিক্ষামন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বিশেষ অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের কিউরেটর নজরুল ইসলাম খান, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মো: বেলায়েত হোসেন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও নিউ ইয়র্কের সাবেক কনসাল জেনারেল এম শামসুল হক।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আয়োজক শেকড়ের সন্ধানের সহসভাপতি আজম শেখ।

অভ্যর্থনায় ছিলেন শেকড়ের সন্ধ্যানের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ হক।

Previous post মনে পড়ে
Next post বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকীতে লস এঞ্জেলেসে প্রতিযোগিতা
Close