ইউক্রেন ইস্যুতে উত্তেজনা চরমে। এর মধ্যেই রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করলো যুক্তরাষ্ট্র।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার এই নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি রাশিয়ার দুটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেন।

এই নিষেধাজ্ঞার ফলে পশ্চিমা দেশগুলো থেকে আর্থিক সাহায্য কিংবা অনুদানের পথ সংকীর্ণ হয়ে গেল রাশিয়ার সামনে।

পূর্ব ইউক্রেনের দুটি বিচ্ছিন্ন অঞ্চলকে স্বাধীন হিসাবে মস্কোর স্বীকৃতিকে ‘রাশিয়ান আগ্রাসনের সূচনা’ বলে অভিহিত করেছেন জো বাইডেন। তিনি পুতিনের সিদ্ধান্তের নিন্দা জানান।

জো বাইডেন বলেন, আমরা দুটি রাশিয়ান আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছি। এগুলো এরপর থেকে পাশ্চাত্যের দেশগুলো থেকে কোনও টাকা তুলতে পারবে না। পাশ্চাত্যের বাজারে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারবে না। এমনকি বুধবার থেকে রাশিয়ার উচ্চবিত্ত সমাজের মানুষের ওপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে। তারা রাশিয়ার অন্যায় কাজে সহযোগিতা করছে। সেটার ফল তাদের ভোগ করতে হবে।

তিনি জানান, ইউক্রেনের চারদিকে রাশিয়ার এক লাখ ৫০ হাজার সৈন্য রয়েছে। যুদ্ধ বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে বেলারুশেও তাদের সৈন্যরা অবস্থান করছে। ইউক্রেন সংলগ্ন সীমান্তে সৈন্য পাঠাচ্ছে তারা। কৃষ্ণ সাগরে তাদের যুদ্ধ জাহাজ টহল দিচ্ছে।

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আমাদের আর বোকা বানানো যাবে না। রাশিয়া যদি যুদ্ধের পদক্ষেপ নেয়, তাহলে রাশিয়াকেই সেটার দায়-দায়িত্ব নিতে হবে।

সোমবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন পূর্ব ইউক্রেনের বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত ওই অঞ্চলকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেন এবং সেখানে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সেনা পাঠানোর নির্দেশ দেন।

যুক্তরাজ্য ও জাপানও রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।