সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের গুমবিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপের (ডব্লিউজিইআইডি) ১২৬তম অধিবেশন শেষ হয়েছে। গত ৭ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

অধিবেশন চলাকালীন, ২০২১ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে জরুরি পদক্ষেপমূলক প্রক্রিয়ার আওতায় ১৭টি গুমের অভিযোগ খতিয়ে দেখে। অভিযোগগুলোর প্রতিকার চেয়ে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে জানানো হয়েছিল। দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে আজারবাইজান, মিসর, কেনিয়া, লেবানন, লিবিয়া, পাকিস্তান, রাশিয়ান ফেডারেশন ও সৌদি আরব রয়েছে।

এ ছাড়া অধিবেশনে ওয়ার্কিং গ্রুপ আরও ৭২৭টি অভিযোগ নিয়ে পর্যালোচনা করে। আলজেরিয়া, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, বাংলাদেশ, চীন, কলম্বিয়া, উত্তর কোরিয়া, ইকুয়েডর, মিসর, এল সালভাদর, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, লাটভিয়া, লেবানন, লিবিয়া, পাকিস্তান, রুয়ান্ডা, সৌদি আরব, শ্রীলঙ্কা, সিরিয়া, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভেনেজুয়েলার মতো দেশগুলোর জরুরি পদক্ষেপমূলক প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় নতুন গুমের অভিযোগের পাশাপাশি পূর্ববর্তী বিষয়ের হালনাগাদ করা তথ্য রয়েছে।

ওয়ার্কিং গ্রুপ বিভিন্ন দেশের সরকারের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপের চিঠি, সাধারণ অভিযোগ এবং জরুরি আপিলের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া পর্যালোচনা করে। এ ছাড়া নতুন করে বেশ কিছু সাধারণ অভিযোগ গ্রহণ করা এবং বেশকিছু মামলার অগ্রগতির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

মানবিক মূল্যবোধের চেতনায় গুমবিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপ অ-রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের দ্বারা সংঘটিত বলপূর্বক গুমের সমতুল্য কাজগুলো নথিভুক্ত এবং আলোচনা অব্যাহত রেখেছে। এই প্রেক্ষাপটে ওয়ার্কিং গ্রুপটি বিভিন্ন সূত্রের মাধ্যমে জমা হওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ইয়েমেনের সানায় ডি ফ্যাক্টো কর্তৃপক্ষের কাছে ৩টি মামলা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা নিখোঁজ ব্যক্তিদের স্বজন, বেসরকারি সংস্থা, রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধি এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গেও দেখা করেছেন।