মালয়েশিয়ায় করোনায় আক্রান্ত বৃদ্ধি পাওয়ায় আবারও স্থগিত হলো আগামী ১ মার্চ থেকে পর্যটকদের জন্য বর্ডার খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত। গত বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ইসমাইল সাবরী ইয়াকুব এ ঘোষণা দেন।

বিদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ায় প্রবেশে শর্ত শিথিল করে পহেলা মার্চ থেকে সীমান্ত পুরোপুরি খোলার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল মার্চ থেকে বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার প্রয়োজন নেই। এতে বিদেশিদের মধ্যে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফেরে। কিন্তু সীমান্ত খোলার ঘোষণার প্রায় চার দিন পর আবারও সেটি স্থগিত করলেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ইসমাইল সাবরী ইয়াকুব।

প্রধানমন্ত্রী ইসমাইল বলেন, পহেলা মার্চে সীমান্ত খোলার ঘোষণাটি ছিল এনআরসির সুপারিশ মাত্র। তাই এ বিষয়ে আরও যথাযথ আলোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এর আগে অবশ্যই পর্যটন, শিল্প ও অন্যান্য সেক্টরের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের মতামতের ভিত্তিতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে পহেলা মার্চেই খুলছে না সীমান্ত। রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা পরিষদ এবং মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পরই আমরা এই বিষয়ে নতুন ঘোষণা দেব।

এর আগে ন্যাশনাল রিকভারি কাউন্সিলের(এনআরসি) চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিন এক সংবাদ সম্মেলন করে সীমান্ত খোলার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, মালয়েশিয়ায় আবারও হঠাৎ করে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিদিন বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ২০ হাজারে পৌঁছেছে। মালয়েশিয়ার বেশির ভাগ লোকজন করোনার ডাবল ডোজ টিকা গ্রহণ করে এখন বুস্টার ডোজ গ্রহণ করছে। এই মুহূর্তে নতুন করে লকডাউনের কোনো আভাস না পাওয়া গেলেও সরকার বলছে আলোচনার পর ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণ করা হবে।