প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন ৩ বছরের জন্য বাংলা একাডেমির সভাপতি পদে যোগদান করেছেন।

সোমবার বাংলা একাডেমির শহিদ মুনীর চৌধুরী সভাকক্ষে তার যোগদান উপলক্ষে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলা একাডেমির সভাপতি পদে সেলিনা হোসেনকে স্বাগত জানিয়ে একাডেমির সচিব এ এইচ এম লোকমান অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন। বক্তৃতা করেন একাডেমির পরিচালক মোবারক হোসেন ও ড. জালাল আহমেদ, উপপরিচালক ড. সরকার আমিন ও ড. তপন বাগচী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলা একাডেমির প্রয়াত তিনজন সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান এবং প্রয়াত মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

সেলিনা হোসেনকে বাংলা একাডেমির পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করেন একাডেমির মহাপরিচালক, সচিব, পরিচালক, উপপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বাংলা একাডেমির পরিচালক ও উপপরিচালকবৃন্দ তাদের শুভেচ্ছা বক্তৃতায় বলেন, সেলিনা হোসেন দীর্ঘকাল বাংলা একাডেমিতে কর্মরত ছিলেন। একাডেমির বহু গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনা এবং কর্মসূচি তিনি সুষ্ঠু ও সুচারুরূপে বাস্তবায়ন করেছেন। তার মতো গুণিজনকে সভাপতি হিসেবে পেয়ে বাংলা একাডেমির ভবিষ্যৎ উন্নতি ও সমৃদ্ধির পথ প্রশস্ত হয়েছে।

নবনিযুক্ত সভাপতি সেলিনা হোসেন বলেন, বাংলা একাডেমিতে ১৯৭০ সালে যোগদান করে ৩৪ বছর কর্মকাল কাটিয়েছি। একাডেমি আমার প্রাণের প্রতিষ্ঠান। যখন আমরা চাকরিতে যোগদান করেছি তখন এত অবকাঠামোগত এবং আনুষঙ্গিক সুবিধা ছিল না। কিন্তু জাতির বুদ্ধিবৃত্তিক উৎকর্ষের সূতিকাগার হিসেবে আমরা এ প্রতিষ্ঠানকে ধারণ করেছি। একাডেমির অভিধান, সংকলন, বিজ্ঞান বিশ্বকোষ, নজরুল রচনাবলি ইত্যাদি নানা কর্মসূচির দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি শিশুতোষ পত্রিকা ধানশালিকের দেশ সম্পাদনা করেছি। এ পত্রিকার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের শিশুসাহিত্যের ধারাকে আধুনিক ও নবমাত্রিক করার প্রয়াস চালিয়েছি।

সেলিনা হোসেন আরও বলেন, একাডেমির সভাপতির দায়িত্বভার প্রাপ্তি আমার জন্য পরম আনন্দ ও গৌরবের বিষয়। আমি মহাপরিচালক এবং একাডেমি পরিবারের সকলের সহায়তায় আমার দায়িত্ব

Previous post জোট বেঁধেছেন পুতিন-জিনপিং
Next post ‘বিদেশে যেতে কেউ যেন অতিরিক্ত টাকা না দেন’
Close