বাংলাদেশসহ নয়টি দেশকে কোভিড-১৯ ব্যতিক্রমী লাল তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে কাতারের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এসব দেশের যাত্রীদের ক্ষেত্রে নতুন ভ্রমণ-বিধি কার্যকর করবে কাতার, যা শনিবার (৮ ডিসেম্বর) থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।

এর ফলে দেশটিতে আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশি যাত্রীদের বেশ কড়াকড়ির মুখোমুখি হতে হবে। তবে বাংলাদেশের সিভিল অ্যাভিয়েশন বলছে এ নিয়ে বাংলাদেশিদের উদ্বেগের কিছু নেই।

কাতারে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সিলর ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান জানান, দেশটির মিনিস্ট্রি অফ পাবলিক হেলথ তাদের ওয়েবসাইটে ‘কোভিড-১৯-এক্সসেপশনাল রেড লিস্ট কান্ট্রিজ’ তালিকায় বাংলাদেশের নাম রেখেছে।

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেখা যাচ্ছে, এ তালিকায় বাংলাদেশেসহ মোট নয়টি দেশের নাম আছে। বাকী দেশগুলো হচ্ছে মিসর, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান, বোতসোয়ানা, লেসুথু, নামিবিয়া ও জিম্বাবুয়ে।

বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশনের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা বলেন, এ তালিকার কারণে বাংলাদেশ থেকে আসা যাওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন হবার কিছু নেই। এটি করা হয় কোভিড সংক্রান্ত প্রটোকল ঠিক মতো অনুসরণ করা হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য।

কোভিড-১৯ ঝুঁকি কতটা তার ভিত্তিতে লাল ও সবুজ নামে দুটি তালিকা ছিলো কাতারের। এখন তার বাইরে একটি ‘ব্যতিক্রমী লাল তালিকা’ করল দেশটি।

টিকার পূর্ণ ডোজ নেয়া থাকলেও বাংলাদেশসহ ব্যতিক্রমী লাল তালিকার দেশগুলো থেকে কাতারের বাসিন্দাদের ফেরার পর দু’দিন কোয়ারেন্টিন করতে হবে। আবার কাতারে নামার আগে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এবং পৌঁছানোর পর ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে পিসিআর টেস্ট করাতে হবে।

আর টিকা না-নেয়া যাত্রীরা কাতারে পৌঁছানোর পর সাত দিন হোম কোয়ারেন্টিন করতে হবে। দেশটিতে পৌঁছানোর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পিসিআর টেস্টের পাশাপাশি কোয়ারেন্টিনের ষষ্ঠ দিনেও টেস্ট করাতে হবে। সেই টেস্টে নেগেটিভ এলেই কেবল সপ্তম দিনে কোয়ারেন্টিন থেকে মুক্ত হবেন ওই যাত্রী। আর টিকা না নেয়া কোন যাত্রীই দেশটিতে প্রবেশের অনুমতি পাবে না বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।