খালেদা জিয়ার নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে নিয়ে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের করা মন্তব্যকে ‘হীন রাজনৈতিক দূরভিসন্ধিমূলক, নারী ও বর্ণবিদ্বেষী, বিকৃত’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সেই সঙ্গে অবিলম্বে তথ্য প্রতিমন্ত্রীকে বক্তব্য প্রত্যাহার করে জনসমক্ষে ক্ষমা চেয়ে পদত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ আহ্বান জানান।

দলের দফতর বিভাগ থেকে পাঠানো বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, অন্যথায় ভবিষ্যতে যথাসময়ে এর দাঁতভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে বলেও বিএনপির মহাসচিব সুস্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সরকারের তথ্য প্রতিমন্ত্রীর একটি বিকৃত এবং শিষ্টাচার বহির্ভূত নারী ও বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্যের তীব্র ঘৃণা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছি। তিনি অবিলম্বে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বহনকারী একজন ব্যক্তির এ ধরনের ঘৃণ্য ও কুরুচিপূর্ণ আচরণের প্রতিকার দাবি করছি।’

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘ব্যক্তি হিসেবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী যে দুর্বলতার মানুষই হোক না কেন একজন জাতীয় পতাকাধারী ব্যক্তির এ ধরনের মনোবৈকল্য উৎসারিত বিকৃতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সমগ্র জাতিকে স্তম্ভিত করেছে।’

খালেদা জিয়া বর্তমান সরকারের ‘প্রতিহিংসামুলক আচরণের শিকার হয়ে’ এখন পর্যন্ত বিদেশে ‘সুচিকিৎসার সুযোগ না পেয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছেন’ বলে উল্লেখ করেন মির্জা ফখরুল।

তিনি বলেন, ‘ঠিক তেমন সময়ে তার পরিবারের একজন নারী সদস্য তথা পরিবারের বিভিন্ন জন সম্পর্কে এহেন অশ্লীল ঘৃণ্য অপপ্রচার ইতিমধ্যেই নারী নেতৃত্বসহ দেশের সচেতন সকল মহলের ঘৃণা কুড়িয়েছে।’