৮ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদ এবং আব্দুন নূর ভূঁইয়া এবং আসেফ বারি টুটুলের নেতৃত্বে ৫৯ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ৬ মাসের মধ্যে গঠনের পুরো দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মেরাজকে। এছাড়া জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে জসীম চৌধুরীকে জাতীয় পার্টি, যুব সংহতি, জাতীয় মহিলা পার্টিসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সমন্বয়কারির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

পার্টির কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান জি এম কাদের এমপির ১ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত অনুমোদন পত্র অনুযায়ী ৫৯ সদস্যের কমিটির আহ্বায়ক হচ্ছেন আব্দুন নূর ভূঁইয়া এবং সদস্য-সচিব আসেফ বারি টুটুল। যুগ্ম আহ্বায়ক ৭ জন হলেন : জাফর মিতা, তোফায়েল চৌধুরী, মাহবুবুর রহমান অনীক, ওসমান চৌধুরি, আলতাফ হোসেন, সাবির লস্কর এবং ইসমাঈল খান আনসারী।
সদস্যরা হলেন, মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, আব্দুল খালেক লালু, আব্দুন নূর, এডভোকেট এম এ কাইয়ুম, এডভোকেট হারিসউদ্দিন আহমদ, গোলাম কবীর জহীর, এ বি এম ওসমান গনি, লুৎফর রহমান, ফিরোজ হাসান মিলন, আব্দুল কাদের লিপু, শাহজাহান সাজু, এস এম ইকবাল, হাবিবুর রহমান হাবিব, রোকশানা হাবীব, এ বি এম খায়রোল আলম, এম এ করিম, মোস্তাক হোসেন বাবুল, কাশেম চৌধুরী, উত্তম ডাকুয়া, শক্তি গুপ্তা, কান্তা হোসেন, শামসুন্নাহার, শমসের আলী, গোলাম মোহাম্মদ কামাল, ফেরদৌস ওয়াহিদ, মোস্তাক আহমেদ, রুবেল আহমেদ, শুভঙ্কর গাঙ্গুলি, জেসমীন আকতার, রোজি আহমেদ, সুজাতা সরকার, ফয়জুল্লাহ নাঈম, কাজী আব্দুল আওয়াল, শফিউল আলম, মমিনউদ্দিন, গিয়াসউদ্দিন, শামসুন্নাহার, রবিউল হক, এডভোকেট হানিফ, কামরুজ্জামান বাচ্চু, আমির হামজা, ফারজিন স্বর্ণা, টিপু সুলতান, ফরিদ আহমেদ, শামীম আহমেদ, শাহজাহান, জামালউদ্দিন, আব্দুল হাই, আবেদ আলী এবং বদরুল আলম।

উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্যরা হলেন সাবেক এমপি শহিদুর রহমান এবং লিয়াকত আলী, সৈয়দ শওকত আলী, গিয়াস মজুমদার, হাজী আব্দুর রহমান, আবু তালেব চৌধুরী চান্দু, আহমেদ শরিফ এবং আহমেদুজ্জামান।

জাতীয় পার্টির আন্তর্জাতিক সম্পাদক এডভোকেট সাকিব রহমানের সুপারিশের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির এই আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়। এতে পার্টির প্রতিষ্ঠাতা-চেয়ারম্যান হুসাইন মুহম্মদ এরশাদের বিশ্বস্ত হিসেবে বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মেরাজকে সাংগঠনিক রীতি অনুযায়ী নয়া কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এক পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, কংগ্রেসনাল বাংলাদেশ ককাস গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারি গোলাম মেরাজের কানেকশন রয়েছে মার্কিন রাজনীতি ও প্রশাসনে। তা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে জাতীয় পার্টির ভূমিকা আরো জোরদার করা সম্ভব-এমন নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টি অধিষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হয়েছে। প্রসঙ্গত: উল্লেখ্য যে, যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির অভ্যন্তরে অসন্তোষ এবং নতুন কমিটির দাবি সম্পর্কে বাংলাদেশ প্রতিদিনে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ছাপা হয়। এমনি অবস্থায় পার্টির চেয়ারম্যানের নির্দেশে একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছেন। তার সুপারিশ অনুযায়ী কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক দ্রুত এ পদক্ষেপের অনুরোধ জানিয়েছিলেন পার্টি প্রধান গোলাম কাদের এমপি সমীপে।