লস এঞ্জেলেসে বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীর বিজয় উৎসব ২০২১’র আয়োজন চলছে। বিজয়ের মাস শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে নানান ধরণের কর্মসূচী ঘোষণা করা হচ্ছে।

এর মধ্যে আগামী ১৬ ডিসেম্বর ২০২১ সোনার বাংলা চত্বরে জাতীয় স্মৃতিসৌধের ম্যুরালের সামনে ঐক্যবদ্ধভাবে আয়োজন করা হয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় অনুষ্ঠান ‘বিজয় উৎসব’।

এদিন বিজয় দিবসে সকল রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন, পুষ্পার্ঘ অর্পণ, দোয়া ও জমায়েত হওয়ার আহ্বান করা হয়েছে। দল, মত নির্বিশেষে সকলকে দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্ভুদ্ধ হয়ে এ আয়োজনে অংশ নিতে অনুরোধ করেছে স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

উক্তদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত এই আয়োজন চলবে। প্রত্যেকেই তাদের স্ব স্ব সময়ে জমায়েত হয়ে আয়োজনে অংশ নেয়ার পরিকল্পনা করছে বলে জানা গেছে।

অনুষ্ঠানটি অনলাইনে লাইভ প্রচার করা হবে।

এছাড়া যথারীতি কন্সাল জেনারেল অফিস সরকারিভাবে সীমিত পরিসরে বিজয় উৎসব পালন করবে।

এছাড়া লস এঞ্জেলেসে প্রতিবছর বিজয় দিবসকে কেন্দ্র করে দিন ব্যাপী বাংলার বিজয় বহর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এবছর লিটল বাংলাদেশ এলাকায় আগামী ১৯ শে ডিসেম্বর এই আয়োজন করা হবে। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কতৃপক্ষ জানায় যে, আগামী ১৯ ডিসেম্বর রোববার সারা দিনব্যাপী কর্মসূচী হাতে নেয়া হয়েছে। যা উদযাপিত হবে লিটল বাংলাদেশের উপর আলেকজেন্ডিয়া স্ট্রীস্টের থার্ড এবং ফোর্থ স্ট্রীট বন্ধ করে। রাস্তার উপর মঞ্চ তৈরি করে এবং দুই পাশ দিয়ে স্টল বসিয়ে এ আয়োজন করা হবে প্রতি বছরের মত।

এ দিন সকালে মটর শোভা যাত্রার আয়োজন করা হবে। এবারের বাংলার বিজয় বহরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন নয় বছর বয়সের অধ্যাপক সুবর্ণ আইজেক বারী। যিনি ইতিমধ্যে বিশ্বের সব চেয়ে ছোট বিজ্ঞানী হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছেন। উৎসবে ৫ জন বিশিষ্টজনকে জেসমিন খান এ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হবে। তাদের মধ্যে রয়েছেন- অধ্যাপক সুবর্ণ আইজেক বারী, মুজিব সিদ্দিকী, কাজী মশহুরুল হুদা, মিঠুন চৌধুরী ও মো. শহিদুল্লাহ খান (মরণোত্তর)।
বাংলার বিজয় বহর এর আয়োজনে পার্টনারশীপ হিসাবে অংশগ্রহণ করবে রামপট ভিলেজ নেবারহুড কাউন্সিল ও উপস্থিত থাকার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছেন লস এঞ্জেলেস সিটি মেয়র এরিক গারসেটি সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এবারের সুবর্ণ জয়ন্তীতে সকলেই অতীতের বিভেদ ভুলে দল, মত ও বৈষম্যের উর্দ্ধে সমবেতভাবে বিজয় উৎসব পালন করবে বলে কমিউনিটির মানুষরা মনে করছেন।

করোনার পর সকলের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ একটি আয়োজন হতে যাচ্ছে এই বিজয় উৎসব। শান্তিপূর্ণভাবে সকলেই একযোগে বিজয় দিবসে অংশগ্রহণ করবে বলে জানা গেছে এবং বাংলার বিজয় বহরের কর্মসূচীতে সমবেত হবে বলে জানা গেছে।