যুক্তরাজ্যের মানবাধিকার বিষয়ক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, সার্বিক অবস্থার খুব একটা উন্নতি হয়নি। ‘হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি: দ্য ২০২০ ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস রিপোর্ট’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সাজার বিষয়েও উল্লেখ আছে।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, সরকারি সিদ্ধান্তে সাজা স্থগিত হওয়ায় বিপক্ষ রাজনৈতিক দলের নেত্রী খালেদা জিয়া গত মার্চে ৬ মাসের জন্য ছাড়া পান। বাসায় চিকিৎসা নেবেন, বিদেশে যাবেন না এই শর্তে তাকে মুক্তি দেয়া হয়। সেপ্টেম্বরে তার সাজার স্থগিতাদেশ বাড়লে ২০২০ সালজুড়ে গৃহবন্দি থাকেন।

প্রতিবেদনে ৩২টি মানবাধিকার নিয়ে উদ্বেগ থাকা অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিরোধী প্রার্থীর ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হামলার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল এবং নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য বাংলাদেশ সরকার কূটনৈতিক মিশনের সমালোচনা করেছিল।

বাংলাদেশের মানবাধিকার সংস্থার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো ‘ক্রসফায়ার’ ও নির্যাতনের ঘটনাসহ ২২৫টি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। গত বছরের আগস্টে পুলিশ অবসরপ্রাপ্ত এক সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্বাধীনতা সীমিত।