মহামারির করোনার কারণে ভারতের সঙ্গে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরো ১৬ দিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ফলে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত সব স্থল বন্দর দিয়ে ভ্রমণ বন্ধ থাকবে। তবে এ নিষেধাজ্ঞার মধ্যে যাদের দূতাবাস বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ছাড়পত্র থাকবে তারা যাতায়াত করতে পারবেন বলে জানা যায়।

রোববার (১৩ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন।

এর আগে চলতি বছরে ভারতে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়া বাংলাদেশ সরকার গত ২৬ এপ্রিল থেকে এ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করে। পরে ৫ দফায় বাড়ানো হয় এই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি আহসান হাবিব জানান, এখন পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞার পত্র হাতে পায়নি। তবে বিভিন্ন মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা জারির কথা জানতে পেরেছি। ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রথম থেকে এপথে যাত্রী যাতায়াত বন্ধ রয়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞার আগে যারা দুই দেশে আটকা পড়েছিল তারা দূতাবাসের ছাড়পত্র নিয়ে ফিরছেন। এছাড়া তিনি আরো জানান, যাদের কাছে স্বরাষ্ট্র সন্ত্রণালয়ের অনুমতি পত্র থাকছে এমন কিছু যাত্রী ভারত ভ্রমণ করছেন।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল অফিসার আবু তাহের জানান, রোববার (১৩ জুন) ভারত থেকে ফিরেছেন ৪৪ জন যাত্রী। তাদেরকে ১৪ দিনের জন্য বেনাপোল ও যশোরের আবাসিক হোটেলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। ঝুঁকিমুক্ত হলে তারা বাড়ি ফিরবেন।

তিনি আরো জানান, রোববার (১৩ জুন) সীমান্তবর্তী শার্শা উপজেলাতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৯ জন। সাম্প্রতি আক্রান্ত বাড়ছে।

জানা যায়, গত ২৬ এপ্রিল থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত ভারত থেকে প্রায় ৫ হাজার পাসপোর্ট ধারি যাত্রী বাংলাদেশে ফিরেছেন। ফেরত আসা বাংলাদেশিদের মধ্যে ৪৬ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে। ৬ জনের শরীরে মিলেছে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট। এছাড়া ১৬ জন ভারত থাকা অবস্থায় করোনা আক্রান্তের শিকার হয়। ভারতে কখনো যায়নি যশোরে এমন মানুষের শরীরেও মিলেছে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট।