অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের পর সেই সংবাদের সোর্স সম্পর্কে বিচার বিভাগ কোনো তদন্ত চালাবে না মর্মে যুক্তরাষ্ট্র বিচার বিভাগ ঘোষণা দিয়েছে। এছাড়া কর্তব্যরত সাংবাদিকদের ওপরও গোপনে নজরদারি চালানো হবে না বলে ৫ মে ঘোষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।

বিচার বিভাগের শীর্ষ মুখপাত্র এ্যান্থনী কোলি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নির্দেশ অনুযায়ী আমরা সম্মুখে এগুচ্ছি। যুক্তরাষ্ট্রের বহুদিনের একটি অভ্যাসকে পরিবর্তন করে আমরা আর কখনোই ফেডারেল প্রশাসনের তদন্তকালিন কোনো গোপন তথ্য ফাঁস করার জন্য সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেব না। পেশাগত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের স্বার্থে বিচার বিভাগ আর কখনো প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়াবে না।’

উল্লেখ্য, সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আমলে ওয়াশিংটন পোস্টের এক সাংবাদিকের ই-মেইলসহ ফোনে নজরদারি চালানোর তথ্য অতি সম্প্রতি ফাঁসের পর নিউইয়র্ক টাইমসের চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধেও বিচার বিভাগ জঘন্য মনিটরিং চালিয়েছে বলে দুদিন আগে সংবাদ ছাপায় বিশ্বখ্যাত এই দৈনিকটি। তারপরই বিচার বিভাগের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা দেয়া হলো।
আরো উল্লেখ্য, ওয়াশিংটন পোস্টের অনুসন্ধানী সংবাদদাতাদের ই-মেইল, ফোনে নজরদারির তথ্য প্রকাশের পর গত ২১ মে প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেছিলেন যে, ‘সাংবাদিকের ফোন, ই-মেলে নজরদারির অনুমতি বিচার বিভাগ দিতে পারে না। এটা উচিত নয়।’ বাইডেনের এ মতামতের পরও বিচার বিভাগ নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেনি। তবে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনের পরই যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনীতে প্রদত্ত মুক্ত আর স্বাধীন সাংবাদিকতার অধিকার সুরক্ষায় বিচার বিভাগ সজাগ থাকার ঘোষণা দিল। বিচার বিভাগের ঐ মুখপাত্রের বিবৃতিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, ‘সাংবাদিকতার স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’