নিউইয়র্ক সিটির ভোটকেন্দ্রে বাংলাসহ ১১ ভাষার অনুবাদক থাকবে। বৃহস্পতিবার এ ঘোষণা দিয়েছে ‘দ্য সিভিক এঙ্গেজমেন্ট কমিশন’। অপর ভাষাগুলো হচ্ছে আরবি, চায়নিজ, ফ্রেঞ্চ, হাইতিয়ান, ক্রিয়োল, ইটালিয়ান, কোরিয়ান, পোলিশ, রাশিয়ান, উর্দু এবং ইদ্দিশ।

দলীয় প্রার্থী বাছাই তথা প্রাইমারির দিন ২২ জুন ছাড়াও আগাম ভোটের শেষ উইকেন্ড (১৯-২০ জুন)’ ও থাকবেন অনুবাদকেরা।

‘দ্য সিভিক এঙ্গেজমেন্ট কমিশন’র নির্বাহী পরিচালক ড. সারাহ সাঈদ এ উপলক্ষে বলেন, ভাষাগত দুর্বলতার কারণে অনেকেই কেন্দ্রে যেতে স্বাচ্ছন্দবোধ করেন না। এ জন্য সকল মানুষের সুবিধার্থে ব্যালট যুদ্ধকে আরো প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ করতে অনুবাদকের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং এটি হচ্ছে আমাদের মূল দায়িত্ব। যারা এই সিটির অধিবাসী এবং যারা ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন, তারা নিজ নিজ ভাষায় ব্যালট-যুদ্ধে স্বাচ্ছন্দে অবতীর্ণ হবেন-তা নিশ্চিত করতে চাই।’
স্মরণ করা যেতে পারে নিউইয়র্ক সিটির অনেক কেন্দ্রেই বাংলাতেও ব্যালটের প্রবর্তণ করা হয়েছে কয়েক বছর আগে থেকে। আসন্ন প্রাইমারি নির্বাচনের কেন্দ্র এবং অনুবাদকের বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে www.participate.nyc.gov এই ওয়েবসাইটেও।

উল্লেখ্য, ভাষার আধিক্য অনুযায়ী বেশ কিছু কেন্দ্রে অনুবাদক দিয়ে থাকে ‘বোর্ড অব ইলেকশন’। তারা বাংলা, হিন্দি, পাঞ্জাবী ভাষার অনুবাদক। সেই পরিক্রমায় এটি হবে আরেকধাপ অগ্রগতি। অর্থাৎ বোর্ড অব ইলেকশনের অনুবাদক ছাড়াও থাকবেন ব্যালট সম্পর্কে সম্যক ধারণা প্রদানের জন্যে সিটি থেকে এসব অনুবাদক।

আরো উল্লেখ্য, এবারই প্রথম নিউইয়র্কে ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘র‌্যাঙ্ক চয়েজ ভোটিং’ (পছন্দের ক্রমানুসারে) পদ্ধতিতে। অর্থাৎ একজন ভোটার তার পছন্দের ক্রমানুসারে ৫ জনকে ভোট দিতে পারবেন। সবার ভোটই গণনা করা হবে এবং বিজয়ী নির্ধারিত হবে সবচেয়ে বেশি ভোটপ্রাপ্তি সাপেক্ষে। বিজয়ীগণের ভোটের ক্রমানুসারে একটি তালিকাও থাকবে বোর্ড অব ইলেকশনে। দায়িত্ব গ্রহণের পর কেউ যদি কোন কারণে পদ হারায়, তাহলে ঐ ক্রমিকের শীর্ষে অবস্থানকারিকে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করা হবে। এর ফলে পুনরায় নির্বাচনের প্রয়োজন হবে না বিপুল অর্থ ব্যয়ে। এমন ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রে বেশ কটি স্টেটে আগে থেকেই চালু থাকলেও নিউইয়র্কে এই প্রথম।