মুখে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ফেনা তুললেও বিএনপিই এদেশে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির ধারক ও বাহক বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বিপরীতে শেখ হাসিনা সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতা নীতি গ্রহণ করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার সকালে ময়মনসিংহ সড়ক জোন, বিআরটিএ ও বিআরটিসি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নিজেদের শাসনামলে দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিল। তাদের আমলে তারা দুর্নীতিবান্ধব ও দুর্নীতি সহায়ক ছিল। এখন তারা তাদের সেই ব্যর্থতা ও দুর্নীতিপরায়ণতা ঢাকতে সরকারের বিরুদ্ধে নানা সময়ে নানান কল্পিত অভিযোগ হাজির করে।

অনুষ্ঠানে করোনা কখন কমে, আবার কখন বাড়ে-তা বলা যায় না মন্তব্য করে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। বলেন, করোনা নিয়ে আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোনো কারণ নেই।

সেতুমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত থেকে আমাদের সকলের শিক্ষা নিতে হবে এবং সামাজিক দূরত্ব ও শতভাগ মাস্ক পরিধান করতে হবে।

ওবায়দুল কাদের জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্রাণ ও নগদ অর্থ সাহায্যের প্রস্তাবে এবারের ঈদে ৩৬ লাখ পরিবারের জন্য দেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলায় অর্থ সাহায্য পৌঁছে গেছে।

‘যারা এই অর্থ বিতরণের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে গতবারও অনেক অভিযোগ এসেছিলো এবং অনেককেই শাস্তি পেতে হয়েছে এমনকি অনেক জনপ্রতিনিধিদেরও কারাগারে যেতে হয়েছে’-যোগ করেন কাদের।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য নিয়ে এবার এ ধরণের অপকর্ম এবং অর্থ নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলবে তারা গণদুশমন হিসেবে চিহ্নিত হবে। এবার যেন এ ধরণের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে এবং যারা সাহায্য পাওয়ার যোগ্য শুধু তারাই পাবে। মুখ চেনা লোকেরা নয়। গরিব মানুষকে দুর্ভোগের মধ্যে ফেলে কোনো অনিয়ম করলে কঠোর শাস্তি অনিবার্য বলে জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।