বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের লুইঝিয়ানা স্টেটের গভর্নর (ডেমোক্রেট) জন বেল এডোয়ার্ডস বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের একটি অনুষ্ঠান ঘিরে ফাউন্ডেশনের জাতীয় সভাপতি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে এ মোমেন এবং ফাউন্ডেশনের অন্যতম পৃষ্টপোষক ও শিক্ষাবিদ ড. মোস্তফা সারোয়ারের মাধ্যমে সকলকে বিশেষভাবে সম্মান জানিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছেন।

২১ মার্চ প্রদত্ত বিবৃতির কপি ২৬ এপ্রিল এসেছে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের জ্যেষ্ঠ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা-সাংবাদিক লাবলু আনসারের কাছে। এর আগে নিউজার্সি, নিউইয়র্ক, নিউ হ্যামশায়ার এবং জর্জিয়া স্টেট থেকেও এ উপলক্ষে বাংলাদেশের নাগরিকদের বিশেষভাবে অভিনন্দন জ্ঞাপনের পাশাপাশি বাঙালি জাতির স্বাধীনতার অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষেও তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।

মার্কিন কংগ্রেসেও এ উপলক্ষে একটি রেজ্যুলেশন উত্থাপন করা হয়েছে। এসব রেজ্যুলেশন, ঘোষণাপত্র, অভিনন্দন ইস্যুর জন্যে সংশ্লিষ্ট স্টেট ও পার্লামেন্টে দেন-দরবার চালায় যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম, বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়্যার ভেটারর্ন্স। প্রবাসের মুক্তিযোদ্ধাগণের নেতৃত্বে গঠিত এসব সংগঠনের সাম্প্রতিক তৎপরতায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির যে ষড়যন্ত্র মার্কিন মুল্লুকে চলছিল, তা রুখে দেয়ার ক্ষেত্রে বড় একটি বিজয় অর্জিত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
লুইজিয়ানার গভর্নরের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘স্টেট অব লুইঝিয়ানার নামে এবং আমার ওপর অর্পিত ক্ষমতাবলে আমি জন বেল এডোয়ার্ডস, এই মহান স্টেটের নাগরিকেরা যুগপৎভাবে গত ২১ মার্চ অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের স্বীকৃতিস্বরুপ এতদ্বারা বিশেষ স্বীকৃতি প্রদান করছি ড. আব্দুল মোমেন, ড. মোস্তফা সারোয়ারসহ নেতৃবৃন্দ এবং বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের নর্থ আমেরিকা চ্যাপ্টারের সকল সদস্যকেও সম্মান জানাচ্ছি।’

উল্লেখ্য, ২১ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের ভার্চুয়াল সমাবেশ হয় স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে। প্রধান অতিথি ছিলেন এই সংগঠনের জাতীয় সভাপতি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন। সেটিকে ভিত্তি মেনে গভর্নর তার স্টেটের বিশিষ্ট নাগরিক এবং নিউ অর্লিন্স ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর ড. মোস্তফা সারোয়ারের মাধ্যমে সকলকে সম্মান জানিয়েছেন।