কঠোর বিধি-নিষেধের মধ্যে বিদেশগামী কর্মীদের জন্য ফ্লাইট চালু রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সি (বায়রা) ও অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব)।

মঙ্গলবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) পৃথক সাংবাদিক সম্মেলনে এ দাবি জানিয়েছে সংগঠন দুটি।

আটাব সভাপতি মনসুর আহামেদ কালাম বলেন, প্রবাসী কর্মীদের ছুটি শেষে নিজ কাজে ফিরে যাওয়া বা নতুন ভিসা নিয়ে কাজে যোগদান করতে তাদের যাতায়াত চলমান রাখা জরুরি। অন্যথায় তাদের চাকরি হারানোর শঙ্কা রয়েছে।

আটাব সদস্য শাহাদাত হোসাইন তসলিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রবাসী কর্মীদের কল্যাণে বহুমুখী কর্মসূচি নিয়েছেন। ছুটিতে আসা কর্মী এবং নতুন ভিসাপ্রাপ্ত কর্মীদের সময়মতো কর্মস্থলে পৌঁছানোর বিষয়টিও বর্তমান সরকার মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। লকডাউনের সময় যাদের ফ্লাইট তারা যেতে না পারলে ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে তারা কর্মহীন হয়ে পড়বে। তাদের পরিবার, দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

সাংবাদিক সম্মেলনে বায়রার পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনটির সাবেক অর্থসচিব ফখরুল ইসলাম। তিনি বলেন, প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার বিদেশগামী বাংলাদেশি কর্মীর বিদেশ যাত্রা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়তে চলেছে। নেপাল, ভারত, পাকিস্তান, ফিলিপাইনসহ কর্মী পাঠানো দেশগুলো লকডাউনের মধ্যেও জরুরি খাত হিসেবে বিভিন্ন দেশে কর্মী পাঠাচ্ছে। সেখানে বাংলাদেশ থেকে কর্মী পাঠানো বন্ধ হলে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে যাবে। মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধের কথা রয়েছে।