বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে নিউইয়র্কের ‘শিল্পাঙ্গন’ তিনদিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা করেছে। ২৬, ২৭ ও ২৮ মার্চ ভাবগম্ভীর ও শিল্পসম্মত সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে শিল্পাঙ্গন শ্রদ্ধা জানায় মাতৃভূমি বাংলাদেশের প্রতি। প্রতিদিন নিউইয়র্ক সময় রাত ৮টায় ভার্চুয়ালে শিল্পাঙ্গনের পেশাদার শিল্পীদের পাশাপাশি উত্তর আমেরিকা, বাংলাদেশ ও ইউরোপের প্রথিতযশা শিল্পীবৃন্দ অংশগ্রহণ নেন।

প্রথম দিনের অনুষ্ঠান উৎসর্গ করা হয় একাত্তরের সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গণাদের প্রতি। দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠান উৎসর্গ করা হয় সাতজন বীরশ্রেষ্ঠর প্রতি এবং সর্বশেষ পর্ব উৎসর্গ করা হয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি। তাদের ওপর প্রামাণ্য পরিবেশনা দিয়েই প্রতিদিনের অনুষ্ঠান শুরু করা হয়।

স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত বরেণ্য শিল্পীদের মধ্যে ছিলেন কাদেরী কিবরিয়া, রোকাইয়া হাসিনা নীলি, শিরীন বকুল, কাবেরী দাস এবং কৃষ্ণা তিথি।
প্রিয়া ড্যান্স একাডেমি, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ফাইন আর্টস, উইমেন অব বাংলাদেশি হেরিটেজ, এবং কানাডা থেকে শুধুই নাটক অংশগ্রহণ করে।

শিল্পাঙ্গনের মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর মাহবুবুর রশীদ জানান, তিনদিনের অনুষ্ঠানমালায় সংগীত পরিবেশন করেন বিদিশা দেওয়ানজী, মৌসুমী বড়ুয়া, দীপ্তি বড়ুয়া, কিরণ দেবনাথ, শাহপার ইসলাম, মাহনাজ হাসান, প্রিয়াঙ্কা দাশ, মোহাম্মদ শানু, মিনহাজ দীপন, সামিনা আশরাফ, ইশরাত আহাম্মেদ, এবং সামায়রা মাহিবা। নৃত্য পরিবেশন করে দেবারতি চৌধুরী, জিয়ানা রিদওয়ান, জেইডেন রিদওয়ান, কাশিফ ইসলাম, মায়েরা ইসলাম, সারিনাহ হাসান এবং সাইফান হাসান।

আবৃত্তিতে অংশ নেন লিপি দেওয়ান, সাবিনা নীরু, শুভ্রা দেবনাথ, মোহাম্মদ শানু, শফিউল আলম, শাহানা সুলতানা, সোনিয়া পান্না, শরীফ হোসেন, মোহাম্মদ আবু ফাহিম, তাহরিনা পারভীন প্রীতি, লিয়ানা মানহা এবং নুসায়বাহ কবীর। নাটকে প্রখ্যাত শিল্পী শিরীন বকুলের সঙ্গে অংশ নেন মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।

শিল্পাঙ্গন স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের সমন্বয়, গ্রন্থনা ও সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলেন মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। উপদেষ্টা ছিলেন আমর আশরাফ, ফালাহ আহামেদ এবং আকতার কামাল।