চীনের বেইজিংয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এবং বাংলাদেশের জাতীয় শহীদ দিবস পালন করা হয়েছে।

বেইজিং মিশন দূতাবাসের সদ্য প্রতিষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে স্থাপিত শহীদ মিনারে রাষ্ট্রদূত, দূতাবাসের কর্মী, কূটনৈতিক মিশন ও চীন সরকার প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী ও চীন-বাংলাদেশ সম্প্রদায়ের সদস্যরা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এর আগে সকালে রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে একটি শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

দিনব্যাপী দিবসটির কর্মসূচিতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়, শহীদদের বিদেহী আত্মার মুক্তির জন্য এক মিনিটের নীরবতা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণসহ নানা আয়োজন করা হয়। সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বার্তাগুলো পড়া হয়। এছাড়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং দিবসটি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্যে চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাহবুব উজ জামান বলেন, ‘বাঙালির ভাষার স্বীকৃতি ও মর্যাদার প্রশ্নই মূল কারণ, যেখান থেকে জাতীয় ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয় আন্দোলনের উত্থান, বিকাশ ও সমাপ্তি ঘটে।’

তিনি উল্লেখ করেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই আন্দোলনের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। তিনি ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি প্রতিবাদ এবং পরবর্তীকালে ন্যায়বিচারের জন্য জাতীয় আন্দোলনের স্থপতি ছিলেন। ১৯৫২ ও ১৯৫৭ সালে ঐতিহাসিক চীন সফরে বঙ্গবন্ধু বাংলা ভাষায় কথা বলেছিলেন বলেও জানান তিনি।