‘দ্য উহান ফাইলস’ নামে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উহান থেকে ছড়ানো করোনাভাইরাসের বিষয়ে প্রথম দিকে তথ্য লুকিয়েছিল দেশটি। চীনের তথ্য লুকানো ও যথাযথ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকার কারণে ভাইরাসটি মহামারি আকার ধারণ করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিং গত ১০ ফেব্রুয়ারি বেইজিং থেকে উহানের চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। করোনায় নিহত উহানবাসীদের সান্ত্বনা দিয়েছিলেন তিনি।

ওই সময়ে চীনের মূল ভূখণ্ডের বাইরে শনাক্তের সংখ্যা ছিল ৪০০ জনের কম। কিন্তু এখন সিএনএন যে গোপন নথি পেয়েছে তা অনুযায়ী, চীন ওই সময়ে করোনা শনাক্তের প্রকৃত সংখ্যা দেখায়নি।

সিএনএনের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, চীন সরকারিভাবে করোনা রোগীর সংখ্যা অনেক কম দেখিয়েছিল। মহামারির প্রথম দিকে করোনাভাইরাসকে পাত্তাই দেয়নি দেশটি।

হুবেই প্রদেশের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের অভ্যন্তরীণ নথিটি গোপনীয় হিসেবে চিহ্নিত। তাতে ফেব্রুয়ারির ১০ তারিখ পর্যন্ত ৫ হাজার ৯১৮ জনের করোনা শনাক্তের কথা বলা হয়েছে। দেশটির সরকারিভাবে ঘোষিত সংখ্যার চেয়ে ফাঁস হওয়া নথিতে করোনা শনাক্ত হওয়া ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ।

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যায়ের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত চীনে মোট করোনা শনাক্ত ৯২ হাজার ৯০২ জন এবং মারা গেছেন ৪ হাজার ৭৪৩ জন।