মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের হিসাব জটিল করে তোলা পেনসিলভানিয়ায় গতকালের চেয়ে আরও এগিয়ে গেছেন জো বাইডেন। রাজ্যটিতে তিনি এখন পর্যন্ত ২৮,৮৭৭ ভোটে এগিয়ে।

এই রাজ্যের ইলেকটোরাল ভোট সবচেয়ে বেশি- ২০টি। এখানে জিততে পারলে বাইডেন জেতার জন্য প্রয়োজনীয় ভোট পেয়ে যাবেন।

অ্যারিজোনাতেও ট্রাম্পের চেয়ে ২৯,৮৬১ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন বাইডেন। সেখানে ইলেকটোরাল ভোট রয়েছে ১১টি।

নেভাডাতে বাইডেন এগিয়ে আছেন ২২,৬৫৭ ভোটে।

জর্জিয়াতেও এগিয়ে আছেন জো বাইডেন, তবে সেখানে দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে ব্যবধান খুবই কম- ৭,২৪৮ ভোট। রাজ্যের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে এত অল্প ব্যবধানের কারণে সেখানে ভোট পুনর্গণনা হবে।

সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ট্রাম্প জিতেছেন ২১৪টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট, অন্যদিকে বাইডেনের এ সংখ্যা ২৬৪। জর্জিয়া অথবা পেনসিলভানিয়ায় জিতলে তিনি অনায়াসে ২৭০ এর ‘ম্যাজিক ফিগার’ ছাড়িয়ে যাবেন। সে ক্ষেত্রে তাকে অন্য রাজ্যের ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না।

সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পেলেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কোনো প্রার্থী জয়ী হতে পারেন না। নির্বাচনে বিজয়ী হতে হলে সংখ্যাগরিষ্ঠ ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পেতে হয়।

প্রতিটি রাজ্যের জনসংখ্যার ভিত্তিতে এই সংখ্যা নির্ধারিত থাকে।

যেমন, জনবহুল ক্যালিফোর্নিয়ার রয়েছে ৫৫ জন নির্বাচক, আবার বিরল জনসংখ্যার মন্টানার রয়েছে মাত্র ৩টি ভোট।

একটি রাজ্যে সবচেয়ে বেশি ‘জনপ্রিয় ভোট’ যিনি পাবেন, সে রাজ্যের নির্ধারিত সব ইলেকটোরাল ভোট তার খাতায়ই জমা হবে। এ কারণেই মোট ভোটের হিসাবে এগিয়ে থেকেও কোনো প্রার্থী পর্যাপ্ত ইলেকটোরাল ভোট পেতে ব্যর্থ হলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন না।