মার্কিন নির্বাচনের ফল প্রকাশ পেতে শুরু করেছে। এখনো পর্যন্ত যা ট্রেন্ড, তাতে জোর লড়াই চলছে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং জো বাইডেনের মধ্যে। ভোটের আগে ওপিনিয়ন পোলে যেমন ভাবা হয়েছিল, ফলাফল তেমনই হচ্ছে। এখনো পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো অঘটন ঘটেনি।

জেতার জন্য দরকার ২৭০টি ভোট। মোট ইলেকটোরাল কলেজ ভোটের সংখ্যা ৫৩৮। ট্রাম্প এবং বাইডেন দুই জনেই এখনো ২৭০ থেকে বেশ অনেকটা পিছিয়ে। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে ট্রাম্প এখনো পর্যন্ত পেয়েছেন ২১৩টি ভোট। বাইডেন জিতেছেন ২২৭ টি ভোট।

ইলেকটোরাল কলেজ ভোট নির্ভর করে বিভিন্ন রাজ্যের ওপর। ক্যালিফোর্নিয়ার ইলেকটোরাল কলেজ ভোট ৫৫। আবার ফ্লোরিডার ইলেকটোরাল কলেজ ভোট ২৯। কে কোন রাজ্যে ভালো ফল করছেন, তার উপরেই নির্ভর করবে প্রেসিডেন্টের সিংহাসনে কে বসবেন। জেতার ব্যাপারে ট্রাম্প এবং বাইডেন দুই জনেই এখনো আশাবাদী।

ট্রাম্পের এখনো পর্যন্ত সব চেয়ে বড় জয় ফ্লোরিডা এবং টেক্সাস। ফ্লোরিডা থেকে ২৯টি ভোট পেয়েছেন তিনি। টেক্সাসে থেকে পেয়েছেন ৩৮টি ভোট। টেক্সাস বারবরই রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটি। এ ছাড়াও লুসিয়ানা, নর্থ এবং সাউথ ডাকোটা, ইন্ডিয়ানা, ক্যানসাস, সাউথ ক্যারোলিনা, অ্যালাবামা, ওকলাহোমা, মিসিসিপি, টেনিসি, কেনটাকি, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া, মনটানা, লোয়ার মতো রাজ্য ট্রাম্পের দখলে গিয়েছে।

অন্য দিকে ক্যালিফোর্নিয়া জয় করে বাইডেন পেয়ে গিয়েছেন ৫৫টি ভোট। এ ছাড়াও নিউ ইয়র্ক, ওয়াশিংটনের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় জয় পেয়েছেন বাইডেন। কলোরাডো, ডিস্ট্রিক্ট অব কলম্বিয়া, নিউ মেক্সিকো, ভার্জিনিয়া, ইলিনয়, নিউ জার্সি, কানেকটিকাট, ম্যাসাচুসেটস, রোড আইল্যান্ড, মেরিল্যান্ড, নিউ হ্যাম্পশায়ারের মতো রাজ্য দখল করেছেন বাইডেন।

এর মধ্যে নিউ হ্যাম্পশায়ার গুরুত্বপূর্ণ। এই রাজ্যটিকে সুইং স্টেট বলা হয়। দুই পক্ষই এই রাজ্যের ভোট পাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। সুইং হয়েছে বাইডেনের দিকে। যিনি যত বেশি সুইং ভোট দখল করতে পারবেন, তাঁর জয়ও তত নিশ্চিত হবে।