স্বাস্থ্যবান এবং তরুণদের করোনার ভ্যাকসিন পেতে হলে ২০২২ সাল পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডব্লিউএইচও।

সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথন ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘স্বাস্থ্যকর্মীদের সবার আগে ভ্যাকসিন দেয়ার বিষয়ে অধিকাংশ মানুষ একমত। এ বিষয়ে অনেক নির্দেশনা আসছে।’

‘কিন্তু আমি মনে করি একজন স্বাস্থ্যবান তরুণকে ভ্যাকসিন পেতে হলে ২০২২ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।’

সৌম্যর আশা, ২০২১ সালের ভেতরেই অন্তত একটি কার্যকরী ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে। তবে সেটি পেতে কিছু ‘সীমাবদ্ধ শর্ত’ থাকবে।

করোনা ভ্যাকসিনের দৌড়ে রাশিয়ার পাশাপাশি এখন পর্যন্ত চীন-যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে এগিয়ে। রাশিয়া জাতীয়ভাবে ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিয়ে ব্যবহার শুরু করেছে।

চীনের চারটি ভ্যাকসিন তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালে আছে। পৃথিবীর অন্য কোনো দেশ এত ভ্যাকসিন তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালে নিতে পারেনি।

এর মধ্যে চীনা ন্যাশনাল বায়োটেক গ্রুপের তৈরি দুটি টিকা ও সিনোভ্যাকের একটি টিকা জরুরিভাবে নাগরিকদের ওপর ব্যবহারের অনুমোদন পেয়েছে। চতুর্থ আরেকটি টিকা সেনাসদস্যদের দেওয়ার জন্য সবুজ সংকেত পেয়েছে।