মাত্র তিনদিনের ব্যবধানে বাংলাদেশসহ ২৩টি দেশের নাগরিকদের ওপর আরোপিত ‘প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা’ শিথিল করলো মালয়েশিয়া। দেশটি বৃহস্পতিবার বিকেলে জানিয়েছে, অভিবাসন বিভাগের অনুমতি নিয়ে প্রবাসী এবং পেশাদার পাসকার্ডধারীরা ঢুকতে পারবেন।

মালয়েশিয়ার সুরক্ষা ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাতুক সেরি ইসমাইল সাবরি ইয়াকব জানিয়েছেন, মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সিনিয়র এই মন্ত্রী বলেন, ‘প্রবাসী এবং পেশাদারদের মালয়েশিয়ায় প্রবেশের আগে ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্ট থেকে অনুমোদন নিতে হবে।’

‘তাদের আবেদনের সঙ্গে মালয়েশিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটিস অথবা সম্পর্কিত সংস্থা থেকে একটি সাপোর্ট লেটার থাকতে হবে।’

এর আগে চলতি মাসের শুরুতে মালয়েশিয়া সরকার জানায়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে ৭ সেপ্টেম্বর থেকে ভারত, ইন্দোনেশিয়া এবং ফিলিপাইনের নাগরিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। দুদিন বাদে তালিকায় বাংলাদেশসহ আরও কয়েকটি দেশকে যুক্ত করা হয়।

এরপর ৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ফেইসবুকে জানান, মালয়েশিয়া থেকে যারা ছুটিতে দেশে এসেছিলেন, তাদের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

এখন দেশটি বলছে, স্থায়ী বাসিন্দাদের পাশাপাশি মালয়েশিয়ান নাগরিকদের ভিনদেশি স্ত্রীদের প্রবেশেও বাধা নেই। তবে এটি হবে ‘ওয়ান-ওয়ে’ জার্নি। অর্থাৎ সেখানে গিয়ে তাদের থেকে যেতে হবে।

পাস-হোল্ডার শিক্ষার্থীরাও দেশটিতে যেতে পারবেন। তবে নতুন কোনো শিক্ষার্থী পরবর্তী ঘোষণার আগে আবেদন করতে পারবেন না।

ইসমাইল সাবরি ইয়াকবকে উদ্ধৃত করে দেশটির গণমাধ্যম দ্য স্টার জানিয়েছে, যেসব ক্যাটাগরির কথা বলো হলো সব ক্ষেত্রে অবশ্যই ইমিগ্রেশনের অনুমোদন লাগবে।

বাংলাদেশ বাদে বাকি ২২টি দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল, ভারত, রাশিয়া, কলম্বিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, মেক্সিকো, পেরু, স্পেন, আর্জেন্টিনা, চিলি, ইরান, ব্রিটেন, সৌদি আরব, পাকিস্তান, ফ্রান্স, তুরস্ক, ইতালি, জার্মানি, ইরাক, ফিলিপাইন এবং ইন্দোনেশিয়া।