আগামী বছরের জানুয়ারি মাসে ঢাকায় হাঙ্গেরির কনস্যুলেট অফিস চালু হচ্ছে। এছাড়াও বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদে নিজ দেশে ফেরাতে বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইউরোপের দেশটি।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করেন হাঙ্গেরির পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য বিষয়ক মন্ত্রী পিটার সিজার্তো।

বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে পিটার সিজার্তো বলেন, আগামী জানুয়ারিতে ঢাকায় হাঙ্গেরির কনস্যুলেট অফিস চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদে নিজ দেশে ফেরাতে বাংলাদেশের পাশে থাকবে হাঙ্গেরি। বাংলাদেশ ও জাতিসংঘ রোহিঙ্গা ইস্যুতে যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে তা সমর্থন করে হাঙ্গেরি।

এর আগে তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন। এরপরই যৌথ প্রেস ব্রিফিংয়ে অংশ নেন দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্বাক্ষর হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো দুই দেশের কূটনীতিকদের মধ্যে প্রশিক্ষণ বিনিময়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন বাংলাদেশে হাঙ্গেরির বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশের ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরেন।

বুধবার (০৯ সেপ্টেম্বর) রাতে হাঙ্গেরির পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য বিষয়ক মন্ত্রী পিটার সিজার্তো ঢাকায় পৌঁছালে বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন।

বৃহস্পতিবার সকালে তিনি বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সঙ্গে তিনি বৈঠক করেন। একইদিন বেলা পৌনে ৩টায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় দুদেশের মধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক সই হয়।

এদিন বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান পিটার সিজার্তো। সফর শেষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি।