চীনের সঙ্গে দাপ্তরিক নামের মিল নিয়ে বিভ্রান্তির কারণে পাসপোর্টের নকশা বদলে ফেলছে তাইওয়ান।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, তাইওয়ানের পাসপোর্টের ওপরে বড় করে ‘রিপাবলিক অব চায়না’ লেখা রয়েছে, এটি দেশটির দাপ্তরিক নাম।

করোনা মহামারির সময় পাসপোর্টে লেখা এ নাম নিয়ে স্বশাসিত দ্বীপটির নাগরিকদের অন্য দেশে ঢুকতে বেশ সমস্যা হয়েছিল বলে তাইপে কর্তৃপক্ষ জানায়।

চীনের উহান থেকে ভাইরাসটি সংক্রমিত হয় বলে সেসময় চীনা নাগরিকদের বিভিন্ন দেশে প্রবেশে নানান বিধিনিষেধ ছিল।

বুধবার স্বশাসিত দ্বীপটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোসেফ উ বলেন, ‘তাইওয়ানের নাগরিকদের ভুল করে চীনের নাগরিক ভাবা বন্ধ করতেই পাসপোর্টে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।’

আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে ছাপা হওয়া নতুন পাসপোর্টে ‘রিপাবলিক অব চায়না’ লেখাটি থাকছে না। নিচে অপেক্ষাকৃত ছোট করে থাকা ‘তাইওয়ান’ শব্দ আরও বড় আকারে থাকবে নতুন পাসপোর্টে।

তবে ইংরেজিতে দাপ্তরিক নামটি না থাকলেও চীনা হরফে ‘রিপাবলিক অব চায়না’ লেখাটা আগের মতো থাকবে। জাতীয় প্রতীকের চারপাশে বৃত্তাকারে ছোট করেও ইংরেজি দাপ্তরিক নামটি থাকবে।

একইভাবে তাইওয়ান তাদের সবচেয়ে বড় ক্যারিয়ার চায়না এয়ারলাইনসের নাম ও নকশা বদলের কথাও বিবেচনা করছে।

এদিকে পাসপোর্ট থেকে চীনের নাম মুছে ফেলার স্বশাসিত দ্বীপটির সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হুয়া চুনইয়াং বলেন, ‘তাইওয়ান যতই চেষ্টাই করুক না কেন, তারা যে চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ, এই সত্য কখনো বদলাবে না।’

তাইওয়ানকে নিজেদের একটি বিচ্ছিন্ন প্রদেশ বলেই দাবি করে থাকে চীন। স্বশাসিত দ্বীপটি স্বাধীন হওয়ার চেষ্টা করলে প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগেরও হুমকি দিয়ে রেখেছে বেইজিং।