ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকায় জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর মৃত্যুদণ্ড চাই। একই সঙ্গে ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার পরিকল্পনাকারী জিয়াউর রহমানের ছেলে তারেক রহমানের যাবজ্জীবন সাজা বাতিল করে ফাঁসি দেয়ার জন্য আদালতের কাছে দাবি জানাচ্ছি।

রোববার (২৩ আগস্ট) নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার এসএম মাজহারুল হক অডিটোরিয়ামে উপজেলা ছাত্রলীগ আয়োজিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় এ দাবি জানান তিনি।

‘জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনি’ উল্লেখ করে আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার মাস্টারমাইন্ড ও বাস্তবায়নকারী ছিলেন জিয়াউর রহমান। পাকিস্তানের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করাই ছিল জিয়ার উদ্দেশ্য। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর খুনি জিয়ার লোকেরা দেশে গুম খুনের রাজত্ব কায়েম করেছে। স্বাধীনতাবিরোধীদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন; দেশকে ধ্বংস করতে মেধাবীদের হাতে অস্ত্র এবং কালো টাকা তুলে দিয়ে ছাত্রসমাজকে বিপথগামী করেছেন জিয়া।

ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন, বিএনপি দেশের ক্ষমতায় থাকাকালীন জিয়াউর রহমানের অশিক্ষিত ছেলে তারেক রহমান দেশের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করতো। জিয়াউর রহমানের সন্ত্রাসের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রেখে তার ছেলে তারেক রহমান; হাওয়া ভবনে বসে জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল। বিএনপি যদি ক্ষমতায় থাকতো তাহলে দেশে হত্যা ও গুম অব্যাহত থাকতো। রাস্তায় রাস্তায় লাশ পড়ে থাকতো।

আল নাহিয়ান খান আরও বলেন, জাতির পিতার খুনি জিয়াউর রহমানের অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করতেই তার ছেলে তারেক রহমান জঙ্গিদের দিয়ে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করেছিল। এই মামলায় আদালত তারেক রহমানের যে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন ছাত্রলীগ সেটি মানে না। এই মামলার পুনরায় তদন্ত করে হামলার পরিকল্পনাকারী তারেক রহমানের ফাঁসি দিতে হবে।

আড়াইহাজার উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কাজী রাজীবুল ইসলাম জুয়েলের সভাপতিত্বে আলোচনা সভার উদ্বোধন করেন নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবু।