গত ৯ আগষ্ট লস এঞ্জেলেসের লিটল বাংলাদেশ মুক্তি চত্বরে ইউএস বঙ্গবন্ধু পরিষদ, ক্যালিফাের্ণিয়ার উদ্যােগে বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে দ্বীপান্তরিত করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য এক মানববন্ধন করে।

এ সময় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বক্তব্যে অবিলম্বে তাকে বাংলাদেশে প্রেরণের জন্য আমেরিকার মহামান্য আদালতের প্রতি অনুরোধ জানায়।

আওয়ামী লীগ নেতা তৌফিক সোলেমান খান তুহিন বলেন, ‘খুনি রাশেদ চৌধুরীকে বাংলাদেশের মাটিতে ফিরে যেতেই হবে এবং বঙ্গবন্ধুকে হত্যার জন্য তাকে ফাঁসির দড়িতে ঝুলতেই হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মমিনুল হক বাচ্চু, সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক, সোহেল রহমান বাদল, শাহ আলম খান চৌধুরী, আজিজ মোহম্মদ হাই, মোফাজ্জল হোসেন, জসিম আশরাফী, জহির উদ্দীন পান্না, জামিউল বেলাল, শহিদুল ইসলাম, নজুরুল আলম ও মোহম্মদ আলী প্রমুখ।

উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে মৃত্যুদণ্ড মাথায় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে থাকা এক খুনিকে ফেরত পাঠাতে সে দেশের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চিঠি দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

বঙ্গবন্ধুর খুনি আবদুল মাজেদের ফাঁসি কার্যকর করার প্রসঙ্গ টেনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “জাতির পিতার ঘাতকদের মধ্যে এখনো ৫ জন জীবিত রয়েছে। প্রত্যাশা ছিল, মুজিববর্ষে দুজনকে দেশে এনে বিচারের মুখোমুখি করা যাবে। আল্লাহ মেহেরবান, একজনকে আমরা পেরেছি। আর আরেকজনকে আনা যাবে বলে আশা করছি।”

বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা রাশেদ চৌধুরী এবং কানাডায় থাকা নূর চৌধুরীর প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, “আমরা দুজনকেই যাতে দেশে আনতে পারি, সেজন্য যা যা করা প্রয়োজন, স্বয়ং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চিঠি লিখেছেন, ট্রাম্পকেও চিঠি লিখেছেন। আমরা আশা করতেছি যে আমরা সাসসেফুল হব।”

তবে কানাডা থেকে মৃত্যুদণ্ডের আসামিদের ফেরত আনা যে কঠিন, সে কথাও বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।