শীতের মৌসুম আসলে কুয়েতের স্থানীয়রা পরিবার পরিজন নিয়ে পার্ক,মরুভূমি এলাকায়, সমুদ্র পাড় ও দর্শনীয় স্থানসমূহ ঘুরতে বের হয়। স্থানীয়দের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের প্রবাসীরা কাজের ফাঁকে ছুটিতে ঘুরতে বের হয়।

মীরসরাই সমিতি কুয়েতের উদ্যোগে কুয়েত সিটি হতে প্রায় ১শ ১৫ কি.মি. দূরে গ্রীণ সিটি খ্যাত ওয়াফরা আনন্দ ভ্রমণের আয়োজন করা হয়। বিদেশের কর্মব্যস্ততা আর যান্ত্রিক জীবন ডিউটি শেষে রুম আর ঘুম প্রবাসীদের নিয়মিত রুটিন।

কুয়েতের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কর্মরত চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার দেড় শতাধিক প্রবাসীরা আনন্দ ভ্রমণে অংশগ্রহন করেন। আনন্দভ্রমণ ঘিরে প্রবাসীদের মাঝে উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়। বৃহস্পতিবার ১৪ নভেম্বর রাতভর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে জারি,সারি, বাউল গান, বান্ডারী, ব্যান্ড ও আধুনিক গান পরিবেশন করে কুয়েতের প্রবাসী বাংলাদেশি শিল্পীরা।

শুক্রবার ১৫ নভেম্বর সকালে আয়োজন করা হয় বিভিন্ন ধরণের গ্রামীন খেলাধুলা ও কুইজ প্রতিযোগিতাসহ বিবাহিত ও অবিবাহিতদের মধ্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ। উক্ত প্রীতি ম্যাচে বিবাহিত একাদশ বিজয়ী হয়। পরিশেষে বিজয়ী দল ও কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী, বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। আনন্দ ভ্রমণে আসা প্রবাসী বলেন, বিদেশে আমাদের রঙিন দিনগুলো কাজের মধ্যে চলে চলে যায় ঘোরার সময় সুযোগ হয় না। মাসের পর মাস এভাবে বছর চলে যায় প্রবাসে।

সময় স্বল্পতার কারণে রুমে বন্ধুবান্ধব ও পরিচিত লোকজনের সঙ্গে আড্ডায় সময় কাটে এখানে। কুয়েতের ওয়াফরা সবুজে ঘেরা চারপাশ অপরুপ সৌন্দর্য্য আশপাশে বিশাল মরুভূমি জুড়ে বিভিন্ন রকমের শাক সবজি আর ফুলের বাগান, আমাদের বাংলাদেশি ভাইদের পরিশ্রমে কুয়েতের মরুভূমি আজ সবুজে পরিণত হয়েছে। দেখে মনে হয় দেশের কোন চর এলাকার সবুজের বুকে দাঁড়িয়ে রয়েছি। সত্যিই অসাধাণ একটি জায়গা না আসলে দেখা হতো না। এসময় উপস্থিত ছিলেন, মীরসরাই সমিতির সভাপতি আব্দুর রহিম ভুঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কামাল হোসেন, রেজাউল করিম, রাশেদ চৌধুরী, বেলায়েত হোসেন, সাইফ উদ্দিন, মনজুরুল ইসলাম, ফয়সাল,নুর উদ্দিন, নাজিম উদ্দিন, নুরুল আজিম, মারুফ প্রমুখ।