বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে সবাইকে এক সাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন ডেপুটি স্পিকার এডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া এমপি। তিনি জানান, প্রবাসী বংলাদেশিরা তাদের প্রেরিত রেমিটেন্সের মাধ্যমে জাতীয় বাজেট তথা দেশের উন্নয়নমূলক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তাই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোকে প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষায় আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। কোনও প্রবাসী বাংলাদেশি মৃত্যুবরণ করলে তাদের মরদেহ যাতে সহজে দেশে পৌছাতে পারে তার জন্য দূতাবাসগুলোকে সব ধরণের সহযোগিতা করতে হবে।

ডেপুটি স্পিকার আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম না হলে বাংলাদেশ হতো না। ঐতিহাসিক ৭ মর্চের ভাষণের মাধ্যমে তিনি স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। তার ডাকে সাড়া দিয়ে বাঙালি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো। তিনি বলেন ৭ মার্চের ভাষণের প্রতিটি কথাই তাৎপর্যপূর্ণ।

গত মঙ্গলবার কাতারের রাজধানীর দোহার একটি অভিজাত হোটেলে কাতারস্থ প্রবাসী বাংলাদেশিদের গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

কাতার আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্লা মোহাম্মদ রাজ রাজীবের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রবীণ মুরব্বি বোরহান উদ্দিন শরীফ।

বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদ, বীরমুক্তিযোদ্ধা ওমর ফারুক চৌধুরী, কাতার আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শফিকুল কাদের, সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবু রায়হান, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সভাপতি কফিল উদ্দিন প্রমুখ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কমিউনিটির সভাপতি প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন আকন, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি এসএম ফরিদুল হক।

এসময় বক্তারা স্পিকারের কাছে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরার পাশাপাশি বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড প্রশংসা করেন।

আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল কাশেম, সৈয়দ আনা মিয়া, সিআইপি জালাল আহমেদ, হাসান বিল্লাহ, মহসিন খান, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল ওদুদ মিয়া, বদরুল আলম,
খাইরুল আলম সাগর, জি এস সুমন, জামাল হোসেন, মোহাম্মদ রিপন মিয়া, মালেক আহমেদ, মিজানুর রহমান, দেলোয়ার হোসেন প্রধান, সুমন মিয়া, ওবায়েদুর রহমান, ইয়াছিন খান পাশা, মাহফুজ আহমেদ, তারা মিয়াসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ, সৈনিক লীগ, নবীন লীগ, ছাত্রলীগসহ কাতার আওয়ামী লীগের বিভিন্ন শাখার নেতৃবৃন্দ ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।