ফিরোজ আলম :

প্রবাসী বাংলাদেশিদের সামাজিক রাজনৈতিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের খবরা-খবর পৌছে দিতে প্রবাসে অনেকেই শখের বশে সাংবাদিকতা করে থাকে। প্রবাসে কমিউনিটি ভিত্তিক অনেক অনলাইন পোর্টাল গড়ে উঠেছে শুধুমাত্র কমিউনিটিকে প্রমোট করার জন্য। প্রবাসীদের মাঝে কিছু সাংবাদিক আছে যারা বাংলাদেশের মূলধারার প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাথেও কাজ করে। মুখে কমিউনিটি প্রমোট বা সেবা করার কথা বললেও, এদের একটা অংশ মূলত দলাদলির স্বার্থে অপসাংবাদিকতা করে। সুবিধাপ্রাপ্ত এই তথাকথিত সাংবাদিকরা মূলত ব্যক্তি বিশেষ অথবা গোষ্ঠীগত স্বার্থে সাংবাদিকতা করে। সাংবাদিকতার নিম্নতম মান এরা বজায় রাখতে সক্ষম নয়। তথ্যপ্রযুক্তির এই বৈপ্লবিক যুগে সিটিজেন জার্নালিজম এ ধরণের অনলাইন সাংবাদিকদের চেয়ে অধিক শক্তিশালী। লস এঞ্জেলেসে হাতে গোনা কয়েকজন সাংবাদিক থাকলেও প্রেসক্লাব গড়ে উঠেছে দুটো। যদিও লিটল বাংলাদেশ প্রেসক্লাবকেই কমিউনিটির সদস্যরা প্রেসক্লাব হিসাবে মনে করে। হলুদ সাংবাদিকতায় কুখ্যাতি অর্জনকারী জনৈক সাংবাদিক দুর্মুজ বাঙালি বলে একটা পত্রিকার সম্পাদক হিসাবে নিজের পরিচয় দিলেও, কমিউনিটির মানুষ উক্ত অনলাইন পোর্টালের অস্তিত্ব খুঁজে পায়না। পকেট সাংবাদিকতায় ইনি বেশ পারঙ্গম। একবার একে রাজাকার আরেকবার ওকে রাজাকার খেতাব দিতে দিতে তিনি নিজেই রাজাকার খেতাব পেয়েছেন কমিউনিটি কর্তৃক। রিপোর্টিংয়ের এমন দৈন্যদশা ও সংকীর্নতার পরিচয় দেয়,তাতে তাদের মানুষিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন জাগে। কোথাও একটা পাবলিক অনুষ্ঠানে গেলে, এরা ছবি তোলা অথবা রিপোর্টিংয়ে নাম দেওয়ার ক্ষেত্রে নিজের ক্ষুদ্র ও দলীয় বৃত্ত থেকে উঠে আসতে পারেনা। ছবি ভিডিও অথবা রিপোর্ট সচেতন ভাবে খণ্ডিত উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে এক ধরণের স্পষ্ট সংকীর্নতা প্রকাশ করে। এরা বুঝতে পারেনা ব্যক্তি বা দলকে উপেক্ষা করতে গিয়ে সে নিজেই অপাংতেয় হয়ে যায়।