অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে, মেলবোর্ন বাংলা স্কুল ও মেলবোর্ন বাংলাদেশি কমিউনিটি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এক ‘ঈদ পুনর্মিলনী’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মেলবোর্ন বাংলাদেশি কমিউনিটি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও মেলবোর্ন বাংলা স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ এবং মোনাশ ও মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষক আলহাজ্জ মোল্লা মো. রাশিদুল হক। 

এসময় তিনি বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গবদ্ধ হয়ে কাজ করার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি মেলবোর্ন বাংলা স্কুল প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা ও ইতিহাস সবার কাছে তুলে ধরেন এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্যে ভাষা শিক্ষার উপর গুরুত্ব আলোচনা করেন। আগামী প্রজন্মের কাছে বাংলা ভাষা ও বাংলাদেষি কৃষ্টি-সভ্যতা ইত্যাদি পৌঁছে দেয়ার জন্যে মেলবোর্ন বাংলা স্কুলকে আর্থিক, মানবিক ও সাংগঠনিকভাবে সহযোগিতা করার জন্যে সকলের কাছে আহবান জানান।  এসময় এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান উপদেষ্টা ড. মাহবুব আলম মেলবোর্ন বাংলা স্কুলের উন্নয়নের স্বার্থে সবার আর্থিক ও মানবিক সহযোগিতা কামনা করেন। এছাড়া সংগঠনের জন্যে ফলপ্রসূ কিছু উদ্যোগের পরামর্শ প্রদান করেন সংগঠনের উপদেষ্টা ড. মাহবুবুর মোল্লাহ, অভিভাবক ড. আফতাবুজ্জামান, ড. মনির উদ্দিন আহমেদ, ড. আমিরুল ইসলাম, মো. আদনান ও মোহাম্মদ হাসানসহ আরও অনেকে। 

এরপর মেলবোর্ন বাংলা স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। যার মধ্যে ছিল মিউজিক্যাল চেয়ার, স্পুন রেসিং ও পিলো পাসিং ইত্যাদি। ছাত্র-ছাত্রীরা অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার ভিতর দিয়ে এসব প্রতিযোগিতাসহ অন্যান্য কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন শিক্ষিকা মিসেস মিতা পারভিন, মিসেস নাসিমা খান, ড. মোসাম্মৎ নাহার, মিসেস জুবাইদা আলী, অভিভাবক মিসেস ইসমত আরা কাননসহ আরও অনেকে। 

এরপর সবাই মধ্যাহ্ন ভোজে অংশগ্রহণ করেন ও বাংলা স্কুলকে ভবিষ্যতে আরও সাফল্যমণ্ডিত করার লক্ষ্যে কাজ করার জন্যে আলোচনা করেন।  এরপর শুরু হয় ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। বড়দের মিউজিক্যাল চেয়ার প্রতিযোগিতায় প্রথম হয় আয়েশা, দ্বিতীয় হয় জারীর ও তৃতীয় হয় সাদ, ছোটদের মিউজিক্যাল চেয়ার প্রতিযোগিতায় প্রথম হয় আরিশা, দ্বিতীয় হয় জাফির ও তৃতীয় হয় সুমাইতা। পিলো পাসিং প্রতিযোগিতায় প্রথম হয় সুমাইয়া হক, দ্বিতীয় হয় মানহা মাহবুব ও তৃতীয় হয় খাদিজা। স্পুন রেসিং প্রতিযোগিতায় প্রথম হয় ইফতিখার আহমেদ। পুরস্কার বিতরণ করেন আলহাজ্জ মোল্লা মো. রাশিদুল হক, ড. আলম মাহবুব, আলহাজ্জ আবু জাফর মোহাম্মদ আলী ও ড. মাহবুবুর মোল্লাহ।