পবিত্র হিজরি নববর্ষ ১৪৪১ উপলক্ষ্যে মালয়েশিয়া জহুর প্রদেশ বাতু পাহাত জিমিল ইন্ড্রাস্টিয়ালে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্যোগে তাফসিরুল কোরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত রবিবার বিকালে জিমিল ইন্ড্রাস্টিয়ালের হোস্টেল হল রুমে এ তাফসিরুল কোরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। হযরত মাও. ড মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে মাহফিলে পবিত্র আল কোরআন ও আল হাদিস হতে তাফসির পেশ করেন বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় ইসলামী আলোচক, মালয়েশিয়া আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষক মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী।

মো. বিলাল হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সম্প্রতি কোরআন প্রতিযোগিতায় আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্বারি মাসুদ রিদওয়ান।

৩১ আগস্ট শনিবার মালয়েশিয়ার স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে সরকারি ছুটি ও রবিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় এ সময় মাহফিলে জিমিল ইন্ডারস্ট্রিজে কর্মরত কয়েকশ’ প্রবাসী ও আশপাশের এলাকার প্রবাসীদের আগমনে পুরো মাহফিল জনস্রোতে পরিণত হয়।  

আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রাপ্ত ক্বারি মাসুদ রিদওয়ান এর কণ্ঠে কোরআন তিলওয়াতের মধ্য দিয়েই শুরু হয় অনুষ্ঠান। বাদ এশা মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী তাঁর বয়ান শুরু করেন। বয়ানে তিনি বলেন, দুনিয়া ও পরকালের সুস্থতা, কল্যাণ লাভকারী ব্যক্তিরাই হবেন সবচেয়ে সফল। এ সফলতা লাভে কোরআন-সুন্নাহর বিধি-বিধান পালনের বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, ‘দৈনন্দিন জীবনে সুস্থতা ও কল্যাণ লাভই মানুষের একমাত্র কামনা। যারা দুনিয়াতে সুস্থতা ও কল্যাণ লাভ করবে তাদের পরকালও সাফল্যমণ্ডিত হবে। প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনুসারী উম্মতে মুহাম্মাদির মধ্যে যারা কোরআন-সুন্নাহ মোতাবেক জীবনযাপন করে। তারা দুনিয়া ও পরকালের কল্যাণ ও সুস্থতা লাভ করবে।

মানুষ দুনিয়ার জীবনের সব কাজে আল্লাহর বিধানকে কার্যকর করবে, নির্বিঘ্নে তার আইন নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করবে এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে নির্দেশনা দিয়েছেন তা অনুসরণ করবে, এটাই হলো ইসলাম বা আত্মসমর্পণ।

তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন মো. জালাল উদ্দিন, মো. সুমন, আনোয়ার হোসেন, মো. মিন্টু, শামীম, মো. ওসমান গনি, আলমগীর, আনিসুর রহমান, সোহেল, বরকত উল্যা মুন্সী, আনোয়ার হোসেন, রোমান, মোহাম্মদ হোসেন, ইসমাইল, জহিরুল ইসলাম,ইমরান হোসেন, মাসুদ আলম ও মো. ইয়ামিন প্রমুখ।

পরে মাহফিলে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে তাফসির মাহফিলের শেষ হয়।